স্বাস্থ্য কমানোর ঘরোয়া উপায়

Spread the love

স্বাস্থ্য কমানোর ঘরোয়া উপায়

স্বাস্থ্য সুখের মূল এটা যেমন সত্যি তেমনি অতিরিক্ত মেদ ভুড়িওয়ালা স্বাস্থ্য খুবই বিপদজনক এবং বিরক্তিকর। অতিরিক্ত মেদ এখন একটি জাতীয় সমস্যার মত। বিশ্ব জুড়ে সবাই এই সমস্যার কম বেশি শিকার অনেকেই । এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য আমরা কি না করে থাকি কতোইনা কষ্ট করি তবুও এর কোন সমাধান পাইনা। জিম থেকে শুরু করে ডাক্তার, রোজ দৌড়নো থেকে শুরু করে না খেয়ে থাকা এত পরিশ্রম করেও সবসময় তেমন ভালো ফল পাওয়া যায় না। কিন্তু খুব ভালো হত না যদি এত ছোটাছুটি না করে বাড়িতে বসেই এই সমস্যার সমাধান করা যেত। সেই উপায় আছে। আসুন জেনেনি বাড়িতে বসে কিভাবে কিছু ঘরোয়া উপায়ে রোগা হাওয়া যায়।

চিনি কম খাওয়া

চিনি বর্তমানে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পরে। চিকন হতে চাইলে কিন্তু মিষ্টিকে একটু ভুলে থাকতে হবে সে আপনি যতই মিষ্টি পাগল হননা কেন। চিনি বর্জন করতে হবে। শুধু চিনি না, চিনি জাতীয় খাবার, মিষ্টি, নরম পানীয় ভুলতে হবে কারণ এগুলি ভীষণ ভাবে ওজন বাড়ায়।

গ্রিন টি

গ্রীন টি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো একটি উপাদান। প্রতিদিন শুরুটা হোক সকাল থেকেই গ্রীন টি এর সাথে । সকালে ঘুম থেকে উঠে সাধারন চা খাবার পরিবর্তে খান গ্রিন টি। এটা আমরা সবাই জানি গ্রিন টি ওজন কমাবার জন্য প্রমাণিত। শরীরের বিভিন্ন অংশের ওজন কমাতে সাহায্য করে গ্রিন টি। প্রতিদিন যদি তিন থেকে চার কাপ গ্রীন টি খাওয়া যায় তাহলে ওজন কমবে, একটু আদা দিয়ে গ্রীনটি খেতে পারেন আরও ভালো কাজ হবে। আর মিষ্টি চাইলে মধু ব্যবহার করুন চিনি বন্ধ করুন।

রসুন

রসুনকে বলাহয়ে থাকে গরিবের পেনিসিলিন। এই রসুনের রয়েছে বহুমুখী গুনগুন তা আমরা অনেকেই হয়তো জানিনা। রসুন রোগা হতে সাহায্য করে। রোজ সকালে খালি পেটে দু কোয়া রসুন এবং তারপর লেবুর রস বা লেবু জল খেতে পারেন। একটু গরম জলে লেবুর রস ফেলে তারপর তাতে একটু নুন দিয়ে খেতে পারেন। এটিতে দারুন কাজ হয়।

পানি

রোগা হতে চাইলে প্রতিদিন বেশি করে জল খেতে হবে। কারণ জল শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে দ্যায় এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক উপাদান যেগুলি মেদ বাড়াতে সাহায্য করে সেগুলি শরীর থেকে বার করতে সাহায্য করে জল। পানি শরীরকে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে থাকে।

মোটা হওয়ার সহজ উপায়

খাবার পর হাঁটুন

অনেকেই সকালে হাঁটার সময় পাননা। চিন্তা নেই দুপুরে বা রাতে খাবার পর হাঁটতে পারেন। খাবার পর সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পরা একদমই ভালনা। তাই খাবার পর হাঁটলে হজমও ভালো হয় আর শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরিও নষ্ট হয়ে যায়।

দিনে ঘুম নয়

রাতে ভালো ঘুম অবশ্যই দরকার। কিন্তু দিনের বেলা ঘুম একদমই ভালো না। যেটা প্রায় সব বাঙালির প্রিয় ভাত ঘুম। কিন্তু সেটা অতিরিক্ত ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। তাই রাতে বেশি করে ঘুমতে চেষ্টা করুন আর দিনের ঘুমকে বর্জন করুন। রাতে তাই সঠিক সময় শুয়ে পরুন।

ব্যাম করা

রোজ ব্যাম করাতে হবে । রোজ ঠিক মত ব্যাম করলে বছরে ছয় থেকে সাত কেজি ওজন সহজেই কমানো যায়। কারণ এতে খুব ক্যালোরি বার্ন হয়। আর ব্যাম বা হাঁটার সময় অন্য কোন কাজ করাটা ঠিক না।

ঘরের কাজ নিজে করা

অনেকের দেখা যায় হাতের কিছু কিছু অংশ ঝুলে যায়। এটাও অতিরিক্ত মেদের কারণে হয়। এর জন্য প্রতিদিন আপনার ঘরের জানলা পরিষ্কার করা ঘর মোছা ঘর জাড়ু দেয়ার মতো কাজগুলো করা উচিত। অবাক লাগছে? জানলা পরিস্কারের কথা শুনে অনেকেই অবাক হয়েছেন তবে জেনে রাখা ভালো জানালা পরিষ্কার করার সময় হাত ওপর ও নীচ করতে হয় বার বার। এতে হাতে চাপ পড়ে ও অতিরিক্ত মেদ নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফাইবার যুক্ত খাবার

একটু বেশি করে ফাইবার যুক্ত খাবার খান। ফাইবার মেদ কমাতে সাহায্য করে। আর নুন কম খান। এবং বাড়ির খাবার খান।

ঘরে বসে সহজে রোগা হতে চাইলে আর দেরি না করে, কাল থেকে আমাদের দেওয়া টিপস ট্রাই করা শুরু করে দিন। নিজেকে সুন্দর রাখতে হলে শরীর ফিট রাখা খুবই দরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.