জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি স্তম্ভ কেন

Spread the love

জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি স্তম্ভ কেন

সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি ঐতিহাসিক ভাস্কর্য। মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারী অসংখ্য শহীদদের স্মরণে তৈরী বিভিন্ন স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্যের মধ্যে প্রধানতম সাভারের এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ।এই স্মৃতিসৌধ আপামর জনসাধারণের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ের স্মরণে নিবেদিত এবং শহীদদের প্রতি জাতির শ্রদ্ধার উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সাভারে নির্মিত এই সৌধ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্মৃতিসৌধ।

আরও পড়ুন পানামা খাল সম্পর্কে

এই স্মৃতিসৌধ আমাদের অস্তিত্ব আর জাতীয়তাবোধের প্রতীক। আমাদের ইতিহাসের স্মারক। প্রতিবছর স্বাধীনতা আর বিজয় দিবসে জাতীয়ভাবে এ স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। কিন্তু এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ শুধু মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতি স্মরণের জন্যই নয়, এর মধ্যে লুকিয়ে আছে আমাদের আরও ইতিহাস। যে ইতিহাস, যে ঘটনা আমাদের স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে দ্রুত গতিতে এবং স্বল্প সময়ে।

স্মৃতি সৌধ

জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হলেন সৈয়দ মাইনুল হোসেন।  স্মৃতিসৌধটির উচ্চতা ১৫০ ফুট। সৌধটি সাত জোড়া ত্রিভুজাকৃতির দেয়াল নিয়ে গঠিত। দেয়ালগুলো ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজানো হয়েছে। এই সাত জোড়া দেয়াল স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ভিন্ন পর্যায়কে নির্দেশ করে।

১) ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন

২)  ১৯৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন

৩) ১৯৫৬ শাসনতন্ত্র আন্দোলন

৪) ১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন

৫) ১৯৬৬ ছয় দফা আন্দোলন

৬) ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান

৭) ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ  এ সাতটি ঘটনা নিয়ে এটি নির্মিত।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি স্তম্ভ কেন

১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে নবীনগরে স্মৃতিসৌধের শিলান্যাস করেন। ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্মৃতিসৌধটি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ সফরকারী বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানরা নিজ হাতে এখানে স্মারক বৃক্ষরোপণ করে থাকেন।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি স্তম্ভ কেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি স্তম্ভ কেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি স্তম্ভ কেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি স্তম্ভ কেন

স্মৃতি সৌধ

Leave a Reply

Your email address will not be published.