মহিলা HIV/AIDS আক্রান্ত হয়েও একাধিক বিয়ে করেছে-স্বামীদের কি হবে?

Spread the love

মহিলা HIV/AIDS আক্রান্ত হয়েও একাধিক বিয়ে করেছে-স্বামীদের কি হবে?

বিয়ের আড়ালে এমন প্রতারণার আমরা সাধারনত অনেক শুনতে পাই , এমন ঘটনা অবশ্য দেশে নতুন নয়। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো প্রতারনার বাহিরেও রয়েছে অনেক বড় জটিল সমস্যা, যেটা প্রথম শোনা গেল, তা হল ওই প্রতারক কনের শরীরে দুরারোগ্য ব্যাধির উপস্থিতি এবং তা থেকে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি প্রতারিতদের শারীরিক ক্ষতি হওয়ারও বিপজ্জনক সম্ভাবনার কথা।

বিয়ে করেতেন করতেন সংসারও তবে সে সংসারের দির্ঘতা বেশি দিন টিকতো না । সংসার করতো ১০ থেকে ১৫ দিন তারপর উদাও। টাকা পয়সা গয়না ইত্যাদি মূল্যবান সমাগ্রী নিয়ে উধাও হয়ে যেতেন সেই নারী। এরপর কিছুদিন থাকে গা ডাকা দিয়ে  এর পর শুরু হয় আবার নতুন ফন্দি আঁকা, আবার অন্য পুরুষ, অন্য বিয়ে, নতুন ‘সংসার’। এ ভাবে গত চার বছরে আটজন স্বামীর ঘর করেছেন এক মহিলা। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গিয়েছে ওই মহিলা এডসে আক্রান্ত। কতদিন আগে থেকে এই রোগ তাঁর শরীরে, তা স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাই ওই মহিলার প্রাক্তন স্বামীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁদের মেডিক্যাল পরীক্ষাও করাতে বলা হয়েছে।

একাধিক বিয়ে
বিবাহ

পুলিশ জানিয়েছে, ওই মহিলার বাড়ি পঞ্জাবে। বয়স ৩০। তিনি দুই সন্তানের মা। বিয়ে করে প্রতারণার ব্যবসা ফেঁদে বসেছিলেন গত চার বছর ধরে। এ কাজে তাঁর আরও তিন সহযোগীও ছিলেন। পুলিশ সেই সঙ্গীদের গ্রেফতার করেছে। পুলিশের কাছে অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন ওই মহিলাও।

পুলিশকে ওই মহিলা জানিয়েছেন, কী ভাবে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে বিয়ে করে সেই বিয়ে থেকে বেরিয়েও আসতেন তিনি। সাধারণত স্বামী কতটা অবস্থাপন্ন তার উপর নির্ভর করত তিনি শ্বশুরবাড়িতে কতদিন থাকবেন। ধনী হলে ১৫ দিন। তুলনায় কম অবস্থাপন্ন হলে ১০ দিনের মধ্যেই কাজ শেষ করত প্রতারক দলটি। পুলিশ জানিয়েছে, চার বছর আগে ওই মহিলাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তাঁর স্বামী। তারপরই তিনি এই ব্যবসা ফেঁদে বসেন। (সূত্র:- আনন্দবাজার পত্রিকা)

আরও পড়ুনঃ-জোঁকে কামড়ালে কি হয়?

এমন বিষয়ে সর্বসাধারনকে সতর্ক হাবার তাগিদ দিয়েছে বিশিষ্ঠ জনেরা। তাদের মতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবার আগে উভয়ের বিষয়ে জেনে শুনে তারপরে বৈবাহীক সম্পর্কে জরানো উচিত নয়তো ঝুকি থেকে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *