ভুঁড়ি পরিস্কার করার সহজ উপায়। 1230

ভুঁড়ি পরিস্কার করার সহজ উপায়। 1230 গরু কিংবা খাসির ভুঁড়ি রান্না খেতে যতই সুস্বাদু হোক, এটি পরিষ্কারের ঝামেলার কারণে অনেকেই খেতে চান না। চুন দিয়ে বা সময়সাপেক্ষ উপায় ছাড়াও কিন্তু ভুঁড়ি পরিষ্কার করা যায়। ভুঁড়ির গন্ধ দূর করে ঝটপট পরিষ্কার করতে চাইলে সহজ কিছু উপায় জেনে নিন। ১। লেবুর সাহায্যে দুটি পাকা লেবু থেকে রস বের করে নিন। ফুটন্ত গরম পানি ঢালুন একটি বড় গামলায়। এর মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে ভুঁড়ি ভিজিয়ে রাখুন। ভেজানোর আগে বড় করে কয়েকটি টুকরা করে নেবেন। এক থেকে দুই মিনিট ভিজিয়ে রেখে উঠিয়ে নিন। একটি স্টিলের চামচের সাহায্যে আঁচড়ে কালো অংশটি উঠিয়ে ফেলুন। ২। লবণ-পানিতে লবণ মিশ্রিত পানিতে বড় টুকরা করে কাটা ভুঁড়ি ডুবিয়ে চুলায় বসান। ১০ থেকে ১৫ মিনিট ফুটিয়ে নামিয়ে নিন। কাটিং বোর্ডের উপর রেখে ছুরির সাহায্যে কালো অংশ পরিষ্কার করে ফেলুন। ৩। গরম পানির সাহায্যে ভুঁড়ি টুকরা করে কলের পানিতে ধুয়ে নিন। হাঁড়িতে পানি ফুটিয়ে নিন। ফুটন্ত পানি একটি বাটিতে নিয়ে ভুঁড়ির টুকরা ডুবিয়ে রাখুন ১২ থেকে ১৩ সেকেন্ড। এর বেশি রাখবেন না। পানি থেকে বের করে চামচের সাহায্যে তুলে ফেলুন ময়লা। ৪। ভিনেগারের সাহায্যে ভিনেগার ও লবণ মিশ্রিত পানিতে ভুঁড়ি ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর উঠিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। ভুঁড়ির উপরে ও নিচে দুটি চামড়ার পরত থাকে। এক কোণা থেকে উপরের পরতের অংশ ধরে টেনে ধীরে ধীরে আলাদা করে ফেলুন কালো অংশ। পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধুয়ে নিন পরিষ্কার করা ভুঁড়ি। উল্টো দিকে থাকা কালো অংশ হাতের সাহায্যে উঠিয়ে ফেলুন। স্বাস্থ্য কমানোর ঘরোয়া উপায় ভুঁড়ির দুর্গন্ধ দূর করতে কী করবেন? চুলায় পানি বসান। পানিতে পরিমাণ মতো লবণ ও আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়া দিন। এতে ভুঁড়িতে থাকা আঁশটে গন্ধ চলে যাবে। ফুটে উঠলে ভুঁড়ি দিয়ে দিন। ২০ মিনিট সেদ্ধ করে নামিয়ে স্ট্রেইনারে ঢেলে দিন। ঠান্ডা হলে পছন্দ মতো আকারের টুকরো করে কেটে নিন। সংরক্ষণ করতে চাইলে জিপলক ব্যাগে ঢুকিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।ভুঁড়ির দুর্গন্ধ দূর করতে পরিষ্কার করার পর টুকরো করে কেটে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ করার পানিতে ২ টুকরা দারুচিনি, তেজপাতা, কয়েকটি এলাচ ও লবঙ্গ দিয়ে নিন। ৫ মিনিট ফুটে ওঠার পর তারপর দেবেন ভুঁড়ির টুকরা। বলক ওঠার পর আরও দশ মিনিট সেদ্ধ করুন।আদা বাটা ও হলুদ গুঁড়া পানিতে মিশিয়েও ফুটিয়ে নিতে পারেন ভুঁড়ি। গরুর চামড়ার পুষ্টিগুণ তথ্য সূত্রে :- Bangla Tribune Online Media সময়ের সংলাপের ফেইসবুক পেইজ ভুঁড়ি পভুঁড়ি পরিস্কার করার সহজ উপায়।…

Read more

দুষ্ট জিন এবং কালো জাদু থেকে বাঁচার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ আমল

দুষ্ট জিন এবং কালো জাদু থেকে বাঁচার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ আমল শাইখ আহমাদ উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

Read more

গুরুত্বপূর্ণ ০৮ টি জিকির

গুরুত্বপূর্ণ ০৮ টি জিকির ( সহীহ মুসলিম – ৪/২০৭৩ ) ( তিরমিযী – ৫/৪৬২, ইবনে মাযাহ – ২/১২৪৯, হাকিম – ১/৫০৩, সহীহ আল জামে – ১/৩৬২ ) ( সহীহ মুসলিম – ৩/১৬৮৫ , ৪/২০৭২ ) ( সহীহ বুখারী – ৭/১৬৮, সহীহ মুসলিম – ৪/২০৭১ ) ( সহিহ বুখারী – ৭/১৬৮, সহীহ মুসলিম – ৪/২০৭২ ) ( সহীহ বুখারী – ১১/২১৩, সহীহ মুসলিম – ৪/২০৭৬ )।

Read more

নফসকে নিয়ন্ত্রনে রাখার কৌশল

নফসকে নিয়ন্ত্রনে রাখার কৌশল নফসকে নিয়ন্ত্রনে রাখার কৌশল নফসকে নিয়ন্ত্রনে রাখার কৌশল নফসকে নিয়ন্ত্রনে রাখার কৌশল

Read more

যিনা ব্যভিচার থেকে বাঁচার উপায় কি?

যিনা ব্যভিচার থেকে বাঁচার উপায় কি? কুরআন এবং হাদিসসমূহে এটি উল্লেখিত রয়েছে। কুরআনের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, যে কোন প্রকারের যৌন ক্রিয়াকলাপ যা বৈধ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ব্যতীত সম্পাদিত হয় সেগুলো যিনা বলে গণ্য হবে, এবং তা পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্য সমানভাবে শাস্তিযোগ্য। জেনা-ব্যভিচার থেকে বেঁচে থাকা সবার জন্য জরুরি। কবিরা গুনাহমুক্ত জীবন গড়তে জেনা-ব্যভিচারের ধরনগুলো এড়িয়ে চলার বিকল্প নেই। এ জন্য যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন তাহলো- ১. নারী-পুরুষ অবিবাহিত হলে বিয়ে করা।২. বিবাহিত হলে স্বামী তার স্ত্রীর প্রতি এবং স্ত্রী তার স্বামীর প্রতি মনোযোগী হওয়া।বিয়ে করা সম্ভব না হলে…১. একাকি বসবাস করা থেকে বিরত থাকা।২. আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ/জিকির করা।৩. জান্নাতের নেয়ামত ও জাহান্নামের শাস্তি সম্পর্কে জানা।৪. সপ্তাহিক (সোম ও বৃহস্পতিব) এবং মাসিক (আরবি মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ) রোজা রাখা। তাতেও বিয়ে ছাড়া থাকতে কষ্ট হলে একদিন পর একদিন রোজা রাখা।৫. বিপরীত লিঙ্গে দিকে না তাকানো ও কথা বলা থেকে বিরত থাকা। অর্থাৎ নারী ইচ্ছাকৃতভাবে পুরুষের দিকে আবার পুরুষ নারীর দিকে না তাকানো। সর্বোপরি পাপ না করার জন্য মনকে দৃঢ়ভাবে স্থির করতে হবে। সব সময় আল্লাহকে ভয় করতে হবে। একান্ত নির্জনে থাকা অবস্থায় জেনা-ব্যভিচার সম্পর্কিত পাপ করার সম্ভাবনা থাকলে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার চেষ্টা করা।

Read more

দ্রুত বিয়ে করার আমল

দ্রুত বিয়ে করার আমল ১) বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক এস্তেগফার করা। উঠতে বসতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকা। ২) সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পড়তে পারি। প্রতি ফরজ নামাজের পর তো বটেই, সুযোগ পেলেই দোয়াটি গভীর আবেগ নিয়ে পড়তে পারি। رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا ৩) সুরা কাসাসের ২৪ আয়াতে বর্ণিত দোয়াটাও বেশি বেশি পড়তে পারি, رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ এই দোয়ায় বিয়ে, বিবিবাচ্চা, চাকুরি, ঘরবাড়ি সবকিছুর ব্যবস্থা হয়ে যাবে। ইন শা আল্লাহ। ৪) বেশি বেশি দোয়া করা। বিশেষ করে দুয়া কবুল হওয়ার সময়গুলো একটাও দোয়াবিহীন না যায়। ৫) আমল-দোয়ার পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্র/পাত্রীর খোঁজ করাও জরুরী। ৬) নিয়মিত সদকা করা।

Read more

সূদ ও ঘুষ বিষয় কুরআন হাদিসের বর্ণনা

সূদ ও ঘুষ বিষয় কুরআন হাদিসের বর্ণনা আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنْ الرِّبَا إِنْ كُنتُمْ مُؤْمِنِينَ. ‘হে বিশ্বাস স্থাপনকারীগণ! আল্লাহ্কে ভয় কর এবং যদি তোমরা মু’মিন হও তবে সূদের মাধ্যমে যা বকেয়া রয়েছে তা বর্জন কর’ (বাক্বারাহ ২৭৮)। يَمْحَقُ اللهُ الرِّبَا وَيُرْبِي الصَّدَقَاتِ وَاللهُ لاَ يُحِبُّ كُلَّ كَفَّارٍ أَثِيمٍ. ‘আল্লাহ সূদকে সংকুচিত করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ কোন অবিশ্বাসী পাপীকে পসন্দ করেন না’ (বাক্বারাহ ২৭৬)। এই আয়াত প্রমাণ করে যে, সূদ মানুষের অর্থকে ধ্বংস করে এবং দান মানুষের অর্থকে বৃদ্ধি করে। আল্লাহ অন্যত্র বলেন, يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تَأْكُلُوا الرِّبَا أَضْعَافًا مُضَاعَفَةً وَاتَّقُوا اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ. ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সূদ খেয়ো না। তোমরা আল্লাহ্কে ভয় কর, যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার’ (আলে ইমরান ১৩০)। عَنْ جَابِرٍ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آكِلَ الرِّبَا وَمُؤْكِلَهُ وَكَاتِبَهُ وَشَاهِدَيْهِ وقَالَ هُمْ سَوَاءٌ. জাবির (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) সূদ গ্রহণকারী, প্রদানকারী ও সূদের দু’সাক্ষীর প্রতি অভিশাপ করেছেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, অভিশাপে তারা সবাই সমান (মুসলিম, মিশকাত হা/২৮০৭; বাংলা ৬ষ্ঠ খন্ড, হা/২৬৮৩ ‘ক্রয়-বিক্রয়’ অধ্যায়, ‘সূদ’ অনুচ্ছেদ)। عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ حَنْظَلَةَ غَسِيْلِ الْمَلاَئِكَةِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دِرْهَمُ رِبَا يَأْكُلُهُ الرَّجُلُ وَهُوَيَعْلَمُ أَشَدُّ مِن سِتَّةِ وَثَلاَثِيْنَ زِنْيَةً. আবদুল্লাহ ইবনু হানযালাহ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘কোন ব্যক্তি জেনে শুনে এক দিরহাম বা একটি মুদ্রা সূদ গ্রহণ করলে ছত্রিশবার যেনা করার চেয়ে কঠিন হবে’ (আহমাদ, হাদীছ ছহীহ, মিশকাত হা/২৮২৫; বাংলা হা/২৭০১)। عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرِّبَا سَبْعُونَ حُوبًا أَيْسَرُهَا أَنْ يَنْكَحَ الرَّجُلُ أُمَّهُ. আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘সুদের পাপের ৭০টি স্তর রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হচেছ মাতাকে বিবাহ করা’ (ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/২৮২৬, হাদীছ ছহীহ)। عَنِ ابْنِ مَسْعُوْدٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ الرِّبَا وَإِنْ كَثُرَ فَإِنَّ عَاقِبَتَهُ تَصِيْرُ إِلَى قَلٍّ. ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সূদ এমন বস্তু যার পরিণাম হচ্ছে সংকচিত হওয়া যদিও তা বৃদ্ধি মনে হয়’ (ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/২৮২৭)। عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرَاشِيَ وَالْمُرْتَشِيْ. আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) ঘুষ গ্রহণকারী ও ঘুষ প্রদানকারীর উপর অভিশাপ করেছেন (ইবনু মাজাহ, সনদ ছহীহ, মিশকাত, হা/৩৭৫৩…

Read more

যেসব কারণে পরিবারের বরকত কমে যায় এবং এ থেকে বাঁচার উপায়বরকত কমার কারণ

যেসব কারণে পরিবারের বরকত কমে যায় এবং এ থেকে বাঁচার উপায় বরকত কমার কারণ • গুনাহে লিপ্ত থাকলে• প্রতারণা করলে ও ধোঁকা দিলে• কথায় কথায় কসম খেলে• হারাম উপায়ে উপার্জন করলে• নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে• কৃপণতা করলে• রিজিক ও তাকদিরের ওপর সন্তুষ্ট না থাকলে• অপচয় করলে• সকালে ঘুমালে• পেট ভরে খাবার খেলে• বাম হাতে খেলে• আত্মীয়তা ধরে না রাখলে• সুদ আদানপ্রদান করলে• অন্যের উন্নতিতে হিংসা করলে• যাকাত না দিলে• সম্পদের চিন্তা ও হিসাবে ব্যস্ত থাকলে যেসব কারণে বরকত বাড়ে: যেসব কারণে পরিবারের বরকত কমে যায় এবং এ থেকে বাঁচার উপায়বরকত কমার কারণ যেসব কারণে পরিবারের বরকত কমে যায় এবং এ থেকে বাঁচার উপায়বরকত কমার কারণ যেসব কারণে পরিবারের বরকত কমে যায় এবং এ থেকে বাঁচার উপায়বরকত কমার কারণ

Read more

ফজরের নামাজের জন্য ঘুম থেকে উঠতে করণীয়

ফজরের নামাজের জন্য ঘুম থেকে উঠতে করণীয় মুমিনের জন্য ফজরের নামাজের গুরুত্ব অনেক বেশি। তার দিনের শুভক্ষণ শুরু হয় ফজরের নামাজের মাধ্যমে। যে ব্যক্তি যথা সময়ে ফজরের নামাজ আদায় করে দিনের কাজ আরম্ভ করে; ওই ব্যক্তির পরবর্তী ইবাদতগুলো যথাযথ আদায় করা সহজ হয়। অনেকেই আছে যারা ফজরের নামাজ আদায় করতে পারেন না। আজানের পরও অনেকে ঘুম থেকে উঠতে পারে না। আবার অনেকে অলসতা বা অন্য কোনো কারণে ঘুম থেকে উঠতে চায় না। আবার কেউ কেউ নামাজের ওয়াক্ত চলে যাওয়ার পর ঘুম থেকে ওঠে। যে ব্যাক্তি নামাজকে বেশি ভালোবাসেন অথচ ফজরের নামাজ যথা সময়ে আদায় করতে পারেন না; তারা বিষয়টি ব্যথাভরা মনে উপলব্ধি করেন। তাঁরা যেন ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুম থেকে জেগে উঠতে পারেন। সে বিষয়ে রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয়:-• ফজরের নামাজ যথা সময়ে আদায় করতে মোবাইল বা ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে ঘুমাতে যাওয়া। যাতে মোবাইল বা ঘড়ির অ্যালার্মের শব্দে ফজরের সময় ঘুম ভেঙ্গে যায়।• ঘুমের অলসতা ত্যাগ করা জরুরি। অনেকেই ঘড়ি বা মোবাইলের অ্যালার্ম শুনে অথবা আজানের আওয়াজ শুনে অলসতাবশতঃ ঘুম থেকে উঠতে চায় না। আবার অনেকেই এ রকম করে যে, আরেকটু ঘুমিয়ে নিই; তারপর উঠব। এ মনসিকতা পরিহার করা।• রাতে তাড়াতাড়ি ঘুম না আসলে হালকা দৈহিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করা যেতে পারে। যাতে হালকা ব্যায়ম বা ক্লান্তির কারণে যথা সময়ে ঘুম চলে আসে। • নিজের সঙ্গে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া। অন্যান্য ওয়াক্তের মতো ফজরের নামাজও ফরজ। সুতরাং ফজর যেহেতু দিনের শুরুর নামাজ; তাই এ নামাজের গুরুত্ব অনেক বেশি। তা যথা সময়ে পড়ার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা।• রাতে ঘুমানোর সময় বিসমিল্লাহর সঙ্গে অজু করে দুই বা ৪ রাকাআত নামাজ পড়ে ঘুমানো এবং ফজরের নামাজ পড়ার ব্যাপারে এভাবে দৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করা যে, আমি অবশ্যই ফজরের নামাজ যথা সময়ে আদায় করব।• রাত গভীর না করে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া। বিনা কারণে দেরিতে ঘুমানোর ফলেই যথা সময়ে ফজর আদায় সম্ভব হয় না।• রাতে ঘুমানোর সময় মৃত্যুর কথা স্মরণ করা। এ চেতনা হৃদয়ে জাগ্রত করা যে, নামাজ না পড়া অবস্থায় যদি মৃত্যু হয় তবে পরিণতি কী হবে? এ অনুভূতি হৃদয়ে পোষণ করা।• যে সব কাজের ফলে রাতে ঘুমাতে যেতে দেরি হয় তা বর্জন করা। সকালে ফজরের নামাজ যথা সময়ে আদায়ের পর সকালে শীতল বাতাসে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার মাধ্যমে নিজের সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করা।

Read more

আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য ইস্তিগফার

আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য ইস্তিগফার প্রখ্যাত তাবিয়ি হাসান বাসরি রহ. একদিন তাঁর মজলিসে বসে আছেন। এক লোক এসে নিজের অভাব অনটনের কথা বলল তাঁর কাছে। হাসান বাসরি বললেন, ‘বেশি বেশি ইস্তিগফার করো।’ কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় আরেক ব্যক্তি এসে বলল, আমার ফসলী জমি শুকিয়ে যাচ্ছে বৃষ্টির অভাবে। আমাকে একটা আমল বাতলে দিন। তাকেও তিনি বললেন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করো। কিছুক্ষণ পর আরেকজন এসে বলল, অনেক চেষ্টা করেও আমার সন্তান হচ্ছে না। কী করা যায় হুজুর? তাকেও বললেন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করো। এরপর চতুর্থবার, এক লোক এসে বলল, দেশ দুর্ভিক্ষের কবলে। এখন আমরা কী করতে পারি? হাসান বাসরি রহ. বললেন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করো। পাশেই ছিল হাসান বাসরির এক শিষ্য। এতক্ষণ সে চারজনকে দেওয়া উস্তাদের সমাধান শুনেছিল। প্রত্যেককে একই সমাধান দিতে দেখে সে অবাক। জিজ্ঞেস করল, ‘শাইখ, আপনি ভিন্ন ভিন্ন চারটি সমস্যার একটি মাত্র সমাধান দিলেন যে? এর রহস্য কী?’ হাসান বাসরি রহ. বললেন: ‘এই সমাধান তো আমি দিই নি। খোদ আল্লাহ তাআলা দিয়েছেন।’ এরপর তিনি এ আয়াতগুলো তিলাওয়াত করলেন: اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُۥ كَانَ غَفَّارًايُرْسِلِ السَّمَآءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًاوَيُمْدِدْكُم بِأَمْوٰلٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنّٰتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهٰرًا“তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে ক্ষমা চাও, নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল।তাহলে তিনি তোমাদের জন্য আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন।তোমাদের ধন সম্পদ ও সন্তানাদি বাড়িয়ে দেবেন, তোমাদের জন্য বাগান সৃষ্টি করবেন এবং তোমাদের জন্য নদীনালা প্রবাহিত করবেন।”.তাফসীরে কুরতুবি; সূরা নূহ: ১০-১২ এর আলোকে

Read more

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখলে পড়তে হয় যে দোয়া

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখলে পড়তে হয় যে দোয়া اَللّٰهُمَّ  اِنَّا نَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا اُرْسِلَ بِهٖ. অর্থঃ হে আল্লাহ! আমরা আপনার নিকট ঐ সকল অনিষ্ট হতে পানাহ চাচ্ছি, যাকে এ মেঘ বহন করে এনেছে। (মুসলিম হাদীস নং-৮৯৯)

Read more

আল্লাহ তা’য়ালা যে ৭টি গুণকে ভালোবাসেন

আল্লাহ তা’য়ালা যে ৭টি গুণকে ভালোবাসেন ১. তওবা“নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদেরকে ভালবাসেন”(সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২২২) ২. তাহারাত [পবিত্রতা]“এবং ভালবাসেন অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকে”(সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২২২) ৩. তাকওয়া [আল্লাহ ভীতি]“নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকীদের ভালবাসেন”(সূরা আত-তাওবা, আয়াত ৪) ৪. ইহসান“আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন”(সূরা আল-ইমরান, আয়াত ১৩৪) ৫. তাওয়াক্কুল“নিশ্চয় আল্লাহ তাওয়াক্কুলকারীদেরকে ভালবাসেন”(সূরা আল-ইমরান, আয়াত ১৫৯) ৬. ন্যায়বিচার“নিশ্চয় আল্লাহ ন্যয়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন”(সূরা আল-মায়েদা, আয়াত ৪২) ৭. সবর“আল্লাহ ধৈর্যশীলদেরকে ভালবাসেন”(সূরা আল- ইমরান, আয়াত ১৪৬)

Read more

সংসার খরচ কমানোর কিছু উপায়

সংসার খরচ কমানোর কিছু উপায় আমরা কম-বেশি সবাই সংসারের খরচ কমাতে চাই। কিন্তু, সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সম্ভব হয় না। তাই যারা দীর্ঘদিন ধরে সংসারের খরচ কমাতে চাচ্ছেন তাদের জন্য থাকছে কিছু টিপস। সব খরচের তালিকা আপনি হয়তো প্রতিদিন একাধিকবার ১০০ টাকা খরচ করছেন। কিন্তু, ভাবেন ‘মাত্র ১০০ টাকা, খুব বেশি নয়’। তবে, আপনার ধারণা পাল্টে যাবে যদি আপনি এই কৌশলটি অবলম্বন করেন। প্রতিদিন যতবার ১০০ টাকা খরচ করছেন তা লিখে রাখুন। পুরো মাসজুড়ে এটি করুন। তারপর মাস শেষে একবার পুরো খরচ যোগ করে দেখুন, আপনি অবাক হয়ে যাবেন। কারণ, মাস শেষে আপনার মাত্র ১০০ টাকা খরচের যোগফল কিন্তু বেশ বড়ই হবে। এই বিষয়টি আপনাকে অনেক খরচ কমাতে সহায়তা করবে। আপনি অদরকারি খরচের খাত চিহ্নিত করতে পারবেন। গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা আমার অনেকেই গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে সচেতন না। অথচ আমাদের সংসারের প্রতিমাসের নিয়মিত খরচের দুটি খাত গ্যাস ও বিদ্যুৎ। তাই গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবহারে খুব সচেতন হতে হবে। তাহলে এখান থেকেও সংসারের কিছু খরচ কমাতে পারবেন। অনলাইন সাবসক্রিপশন কমানো আধুনিক সময়ে আমরা বিনোদনের জন্য অনেকে অনলাইন প্লাটফর্মের সাবসক্রিপশন নিয়ে থাকি। কিন্তু, সেসব প্লাটফর্মে মুভি, ড্রামা বা অন্যকিছু দেখা হয় না। তাই এসব প্লাটফর্ম আনসাবসক্রাইব করে নিন। তাহলে এখান থেকে প্রতিমাসে কিছু টাকা কমাতে পারবেন। যা আপনার সংসার খরচ যোগাতে সহায়ক হবে। বিলাসবহুল সৌন্দর্যপণ্য এড়িয়ে চলা ত্বকের বলিরেখা থেকে মুক্তি পেতে এবং ত্বক সুন্দর রাখতে আমরা দামি ক্রিম ব্যবহারে প্রলুব্ধ হয়ে থাকি। কিন্তু, বাস্তবে ত্বকের প্রয়োজন হলো একটি ভালো ডায়েট। দরকার প্রচুর পরিমাণে পানি ও হাইড্রেশন। এজন্য ব্যয়বহুল ক্রিমের পরিবর্তে বাদাম বা নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এতে ত্বক ভালো থাকবে আবার সংসারের খরচও কমবে। সঞ্চয় নিয়ে কৃতজ্ঞ থাকা অর্থের প্রতি নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনুন। পর্যাপ্ত আয় না করা বা পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থ না থাকার জন্য নিজেরে প্রতি অভিযোগ করবেন না। এর পরিবর্তে আপনার যা আছে তাই নিয়ে কৃতজ্ঞ থাকুন। মনোভাবের এই বদল ব্যয় কমাতে কতটা সহায়তা করতে পারে তা দেখে আপনি অবাক হবেন। কার্ডে নয়, নগদ লেনদেন প্রতি সপ্তাহে খরচের জন্য নির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করুন এবং শুধু সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করুন। তবে, অবশ্যই নগদ টাকা খরচ করবেন। কারণ কার্ডে লেনদেন করলে আপনি নিজেও জানতে পারবেন না কত টাকা খরচ করে ফেলছেন। তাই কার্ড নয় নগদ লেনদের করুন। তাহলে সহজে বুঝতে পারবেন কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে।…

Read more

বাথরুমে কখনো কাঁদবেন না

বাথরুমে কখনো কাঁদবেন না বেশিরভাগ মানুষেরই এই অভ্যাস টি রয়েছে। যখনই তারা হতাশ বা বিরক্ত বোধ করেন তারা কাঁদতে বাথরুমে ছুটে যান। “নিশ্চয় সে (শয়তান) ও তার দলবল তোমাদেরকে দেখে যেখানে তোমরা তাদেরকে দেখ না“।[আল-আরাফ ৭:২৭] আপনি কি জানেন জ্বীন রা সবচেয়ে বেশি কোথায় বসবাস করে?তারা বাথরুমে সবচেয়ে বেশি বসবাস করে।বেশিরভাগ লোকেরা এটি জানেন তারপরও ভুলে যান এবং অবহেলা করেন যে জ্বিন আমাদের ক্ষতি করতে পারে। বাথরুমে খুব সহজেই জ্বীন আপনাকে ক্ষতি করতে পারে…এটি খুবই সহজ মাধ্যম। তাই যখনি আপনার কান্না পাবে, খারাপ লাগবে আপনি ওজু করে ২ রাকাত নামাজ পরে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লার সামনে কাদেন। রাসূল (সাঃ) আমাদের শিখিয়ে গেছেন এসব জায়গায় জ্বীন শয়তানের হাত থেকে বাচার উপায়…যখনি আপনি টয়লেটে প্রবেশ করবেন তখনি বাম পা দিয়ে পরবেন বিসমিল্লাহ, ” আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল খবসি ওয়াল খবাইস”(হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র নর জিন্ ও নারী জিন্ থেকে আশ্রয় চাই)…ইনশাআল্লাহ এই দোয়া পরে বাথরুমে প্রবেশ করলে জ্বীন আপনার ক্ষতি করতে পারবে না.. বাধ্যতামূলক মাথায় কাপড় রাখা। মেয়েরা উড়না বা ঘোমটা দেওয়া, ছেলেরা টুপি বা গামছা রাখা। তাহলে জ্বিন আর আপনার মাঝে একটা পর্দা দিয়ে দেওয়া হয়। বাথরুমে কখনো কাঁদবেন না বাথরুমে কখনো কাঁদবেন না বাথরুমে কখনো কাঁদবেন না বাথরুমে কখনো কাঁদবেন না সংগৃহীত

Read more

মেঘের গর্জন শুনলে যে দোয়া পড়তে হয়।

মেঘের গর্জন শুনলে যে দোয়া পড়তে হয়। اَللّٰهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذٰلِكَ অর্থঃ হে আল্লাহ! দয়া করে আপনি আমাদেরকে আপনার গযবের দ্বারা মৃত্যু দিবেন না এবং আপনার আযাব দ্বারা ধ্বংস করবেন না। বরং এর পূর্বেই আমাদেরকে শান্তি ও নিরাপত্তা দান করুন। (মুসনাদে আহমাদ হাদীস নং-৫৭৬৩/ তিরমিযী, হাদীস নং-৩৪৫০) .— ইশতিয়াক আহমেদ তুশার (হাফি.)

Read more

বেশী বৃষ্টি হলে যে দোয়া পরতে হয়

বেশী বৃষ্টি হলে যে দোয়া পরতে হয় اَللّٰهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا অর্থঃ হে আল্লাহ! এ বৃষ্টি আমাদের আশপাশে (যেখানে প্রয়োজন) বর্ষণ করুন এবং আমাদের উপর বর্ষণ করবেন না। (বুখারী হাদীস নং-১০২০/ মুসলিম হাদীস নং-৮৯৭)

Read more

বৃষ্টি হওয়ার সময় যে দোয়া পড়তে হয়

বৃষ্টি হওয়ার সময় যে দোয়া পড়তে হয় اَللّٰهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا. অর্থঃ হে আল্লাহ! (এ বৃষ্টিকে) কল্যাণকর, বরকতপূর্ণ এবং উপকারী বানিয়ে দিন। (ইবনে মাজাহ হাদীস নং-৩৮৮৯/ আবু দাউদ হাদীস নং-৫০৯৯)

Read more

পর্ন যৌন তৃপ্তি বাড়ায় না বরং কমায়

পর্ন যৌন তৃপ্তি বাড়ায় না বরং কমায় পর্নের সাথে প্রকৃত যৌনতার কোনো সম্পর্ক নেই, দূর দূরান্ত থেকেও নেই। আপনার হয়ত এমনটা মনে নাও হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি। বরং পর্ন একধরণের যৌন পণ্য যার ভোক্তা এতে আসক্তরা। পর্ন স্বাভাবিক বা স্বাস্থ্যকর যৌনতাকে নিরুৎসাহিত করেঃ স্বাভাবিক যৌনতা হ্রাসে পর্নের ভূমিকা বারবার গবেষণায় উঠে এসেছে, পর্ন যৌন উত্তেজনা, আকর্ষণ ও যৌন ক্ষমতায় সমস্যা সৃষ্টিতে সরাসরি দায়ী। পর্ন স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সেক্স এবং যৌন তৃপ্তি কমিয়ে দেয়। গবেষকরা পর্নের সাথে সেক্স ড্রাইভের ঘাটতি, যৌন জটিলতা ও অকাল বীর্যপাতের গভীর সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন। যারা বারবার পর্ন দেখে তাদের অনেকেই একপর্যায়ে পর্ন না দেখলে আর উত্তেজিত হতে পারেন না, এমনকি সহবাসের সময়ও না। সাম্প্রতিক বেশ কিছু সিনিয়র হাইস্কুল ছাত্রদের মাঝে চালানো এক জরিপে পর্ন দেখার ফলে তাদের যৌন কামনা হ্রাস পেয়েছে দেখা গেছে। এত অল্পবয়সী যুবকদের মাঝে সেক্স ড্রাইভের এমন অভাব কিছুটা হলেও অবিশ্বাস্য।লক্ষ্য করুন পর্ন যদি সেক্স সম্পর্কিতই হয় তবে তো তাতে দর্শকদের এসব যৌন জটিলতা থেকে মুক্তির উপায় জানানো হত, কিন্তু পর্ন উল্টো এসব সমস্যাকে উত্তরোত্তর বাড়িয়েই চলেছে। এটা দর্শকদের যৌন তৃপ্তি বাড়ায় তো না-ই, বরং কমিয়ে দেয়। বরং পর্ন যে বড় সমস্যা তৈরি করে তা হলো এর প্রতি আসক্তি যা পরিস্থিতিকে আরও দ্রুত অবনতির দিকে নিয়ে যায়। আর এ আসক্তিই পর্ন ইন্ডাস্ট্রির ব্যবসার হাতিয়ার, মানুষ যত পর্ন আসক্ত হবে, তাদের ব্যবসার প্রসার তত বেশি হবে।পর্ন কখনই যৌনতা সম্পর্কিত নয়, একদমই না। এটা খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে। পর্ন ইন্ডাস্ট্রি মানুষকে তাদের জালে আটকে ফেলে, আসক্ত করে তোলে যে আসক্তি ক্রমশ বাড়তে থেকে। আর এই পর্ন ইন্ডাস্ট্রি এমন কিছু জিনিসকে আমাদের সামনে নিয়ে আসছে যা আসলে মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের সাথে যায় না। এভাবে তারা মানবতাকে এবং এই সমাজটাকে অমানবিক এক নষ্ট রূপ দিতে চাচ্ছে। আর এসব করে তারা নিজেদের পকেট ভারি করছে। পর্ন যৌনতা সম্পর্কিত নয়, এটা আনন্দ-বিনোদনের কিছু নয়, এটা শুধুই একটা ব্যবসা। আর প্রত্যেক দর্শক তাদের এই অন্ধকার চক্রান্তের ভুক্তভোগী, সেটা তারা বুঝুক আর নাই বুঝুক। তাই আমাদের যুদ্ধ করার আরেকটি কারণ হচ্ছে, মানুষকে এই দূষিত ইন্ডাস্ট্রির হাত থেকে রক্ষা করা, তাদেরকে বাস্তব ও ভালো সম্পর্কের বাধনে বাঁধা, প্রকৃত ও পবিত্র যৌন সম্পর্কের মাঝে রাখা।

Read more

প্রচন্ড ঝড় বাতাস হলে যে দোয়া পড়তে হয়।

প্রচন্ড ঝড় বাতাস হলে যে দোয়া পড়তে হয়। اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ اَسْاَ لُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا فِيْهَا وَخَيْرَ مَا اُرْسِلَتْ بِهٖ وَاَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا فِيْهَا وَشَرِّ مَا اُرْسِلَتْ بِهٖ. অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এই বাতাসের কল্যাণ ও এর মধ্যে যা আছে তার কল্যাণ এবং যা সহ তা প্রেরিত হয়েছে তার কল্যাণ চাচ্ছি। আর আপনার কাছে এর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। (মুসলিম হাদীস নং-৮৯৯)

Read more

রমজানের ফজিলত

রমজানের ফজিলত রামাদানের রোজার সাথে কোনো আমলের তুলনা চলে না। চলুন, রামাদানের রোজার কিছু বিশেষ ফজিলত ও লাভ সম্পর্কে জানি। * রোজা অন্তরের হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ধৈর্যের (রামাদান) মাসে রোজা এবং প্রত্যেক মাসের ৩ দিন রোজা রাখা অন্তরের বিদ্বেষ-শত্রুতা দূর করে দেয়।” [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৩০৭০; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১০৩২; হাদিসটি সহিহ] * রোজার সমমানের কোনো আমল নেই। আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘কোন ইবাদত সর্বোত্তম?’ উত্তরে নবিজি বলেন, ‘‘তোমার উচিত রোজা রাখা, কেননা এর সমমানের কিছু নেই।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ২২২২; হাদিসটি সহিহ] * রোজা অতীতের সব গুনাহ মুছে দেয়। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রামাদানে রোজা রাখবে, তার অতীতের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৯০১] * রোজা জাহান্নাম থেকে ঢালস্বরূপ। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘রোজা জাহান্নামের আগুন থেকে ঢালস্বরূপ।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ২২৩৪; হাদিসটি সহিহ] * একমাত্র রোজার প্রতিদান স্বয়ং আল্লাহ কোনো হিসাব-নিকাশ ছাড়াই দেবেন! নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আদম সন্তানের প্রতিটি (ভালো) কাজের প্রতিদান ১০ গুণ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়।’’ মহান আল্লাহ বলেন, “কিন্তু রোজা ব্যতীত। কেননা, এটি আমার জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেবো। বান্দা আমার জন্যই তার কামনা-বাসনা এবং পানাহার থেকে বিরত থেকেছে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৫৯৭] * জিহাদের ময়দানে একটি রোজার মাহাত্ম্য: আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদে) একদিন রোজা রাখবে, আল্লাহ তার চেহারাকে জাহান্নামের আগুন থেকে ৭০ বছরের পথ দূরে রাখবেন।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৩০৬] * রোজাদারের বিশেষ জান্নাতি গেইট! নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘‘জান্নাতে রাইয়্যান নামক একটি দরজা আছে। এ দরজা দিয়ে কিয়ামতের দিন রোজাদার ব্যক্তিবর্গ প্রবেশ করবে; তাদের ব্যতীত আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। বলা হবে, ‘‘রোজাদার ব্যক্তিরা কোথায়?’’ তখন তারা দাঁড়াবে। তারা ব্যতীত আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। তাদের প্রবেশের পরই বন্ধ করে দেওয়া হবে, আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ১৮৯৬] * রোজাদার কিয়ামতের দিন তৃষ্ণার্ত হবে না। উপরের হাদিসটির বর্ধিত অংশে আরও এসেছে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি সেই (রাইয়্যান) দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে, সে…

Read more