অলৌকিক ফল/Miracle fruit

অলৌকিক ফল/Miracle fruit

Read more

জাবুটিকাবা/Jabuticaba

জাবুটিকাবা/Jabuticaba জাবুটিকাবা ব্রাজিলের একটি ক্রান্তীয় ফল। এটি সরাসরি গাছের কাণ্ডে বৃদ্ধি পায় এবং একটি অনন্য চেহারা রয়েছে, ছোট আঙ্গুরের মতো। এখানে জাবুটিকাবার কিছু সম্ভাব্য সুবিধা রয়েছে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ: জাবুটিকাবা অ্যানথোসায়ানিন সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা ফলটিকে তার গভীর বেগুনি রঙ দেয়। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে। ইমিউন সিস্টেম সমর্থন: জাবুটিকাবাতে উচ্চ ভিটামিন সি উপাদান একটি সুস্থ ইমিউন সিস্টেমে অবদান রাখে। ভিটামিন সি এর ইমিউন-বুস্টিং বৈশিষ্ট্য এবং সংক্রমণ এবং রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরক্ষা সমর্থনে এর ভূমিকার জন্য পরিচিত। অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য: কিছু গবেষণায় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে জাবুটিকাবা প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব থাকতে পারে। ফলের মধ্যে এমন যৌগ রয়েছে যা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনক অবস্থার পরিচালনার জন্য উপকারী। হজমের স্বাস্থ্য: জাবুটিকাবা খাদ্যতালিকাগত ফাইবারের একটি ভাল উত্স, যা হজমে সহায়তা করে এবং একটি স্বাস্থ্যকর পাচনতন্ত্রকে প্রচার করে। পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং সামগ্রিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে। কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য: জাবুটিকাবার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এর উচ্চ ফাইবার সামগ্রী সহ, হার্টের স্বাস্থ্যে অবদান রাখতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যখন ফাইবার স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা সমর্থন করে এবং ভাল রক্ত ​​প্রবাহ প্রচার করে। ত্বকের স্বাস্থ্য: জাবুটিকাবাতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে উপকার করতে পারে। এগুলি বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করতে, বলিরেখা কমাতে এবং তারুণ্যের বর্ণকে উন্নীত করতে সাহায্য করতে পারে। সম্ভাব্য অ্যান্টি-ক্যান্সার প্রভাব: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে জাবুটিকাবা নির্যাসের ক্যান্সার-বিরোধী বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে। ফলটিতে সম্ভাব্য কেমোপ্রিভেনটিভ প্রভাব সহ যৌগ রয়েছে, যদিও ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং চিকিত্সায় এর ভূমিকা সম্পূর্ণরূপে বোঝার জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন। এটি লক্ষণীয় যে যখন জাবুটিকাবা সম্ভাব্য স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করে, পৃথক ফলাফল পরিবর্তিত হতে পারে এবং এটি একটি সুষম এবং বৈচিত্র্যময় খাদ্যের অংশ হিসাবে খাওয়া উচিত। আপনার যদি কোনো নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য উদ্বেগ থাকে, তবে একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারের সাথে পরামর্শ করা সর্বদা ভাল। জাবুটিকাবা/Jabuticaba জাবুটিকাবা/Jabuticaba জাবুটিকাবা/Jabuticaba জাবুটিকাবা/Jabuticaba জাবুটিকাবা/Jabuticaba

Read more

আকি/Ackee ফলের উপকারিতা

আকি/Ackee ফলের উপকারিতা আকি একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল যা পশ্চিম আফ্রিকার স্থানীয় কিন্তু ক্যারিবিয়ান রন্ধনপ্রণালীতে ব্যাপকভাবে খাওয়া হয়। ফলটি তার অনন্য চেহারা এবং স্বাদের জন্য পরিচিত। অ্যাকি সুস্বাদু হলেও, এটি লক্ষ্য করা গুরুত্বপূর্ণ যে ফলটি সম্পূর্ণরূপে পাকা এবং খাওয়ার আগে সঠিকভাবে প্রস্তুত করা উচিত, কারণ কাঁচা ফল এবং বীজে বিষাক্ত পদার্থ থাকে যা ক্ষতিকারক হতে পারে। এখানে পাকা, সঠিকভাবে প্রস্তুত আকি ফলের কিছু সম্ভাব্য সুবিধা রয়েছে: পুষ্টিগুণে ভরপুর: পাকা আকি ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাসিয়াম এবং ডায়েটারি ফাইবার সহ বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় পুষ্টির একটি ভাল উত্স। এই পুষ্টিগুলি সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য এবং বিভিন্ন শারীরিক ক্রিয়াকলাপকে সমর্থন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এনার্জি বুস্ট: অ্যাকিতে ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট তুলনামূলকভাবে বেশি, যা দ্রুত এবং টেকসই শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে। এটি খাদ্যের একটি মূল্যবান সংযোজন হতে পারে, বিশেষ করে যাদের শক্তির উৎস প্রয়োজন তাদের জন্য। হার্টের স্বাস্থ্য: অ্যাকিতে কোন কোলেস্টেরল নেই এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম। এর পটাসিয়াম উপাদান স্বাস্থ্যকর রক্তচাপের মাত্রা প্রচার করে হার্টের স্বাস্থ্যকে সহায়তা করে। কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমানোর জন্য একটি স্বাস্থ্যকর রক্তচাপের পরিসীমা বজায় রাখা অপরিহার্য। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য: অ্যাকিতে ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে সৃষ্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সামগ্রিক স্বাস্থ্যে অবদান রাখে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। হজমের স্বাস্থ্য: অ্যাকি ডায়েটারি ফাইবারের একটি ভাল উৎস, যা হজমে সহায়তা করে এবং নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে। পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ একটি স্বাস্থ্যকর পাচনতন্ত্রকে সমর্থন করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। চোখের স্বাস্থ্য: অ্যাকিতে ভিটামিন এ এবং অন্যান্য ক্যারোটিনয়েড রয়েছে, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ভাল দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে এবং সুস্থ চোখ প্রচারের জন্য ভিটামিন এ অপরিহার্য। এটা লক্ষ্য করা গুরুত্বপূর্ণ যে ackee এর প্রস্তুতি তার নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র পাকা আকি ফল ব্যবহার করা উচিত, এবং বিষাক্ত পদার্থের কোনো চিহ্ন অপসারণের জন্য ফল সঠিকভাবে রান্না করা আবশ্যক। অ্যাকি খাওয়ার আগে প্রস্তুতির ঐতিহ্যগত পদ্ধতি অনুসরণ করা বা একটি নির্ভরযোগ্য উত্সের সাথে পরামর্শ করা বাঞ্ছনীয়। অতিরিক্তভাবে, হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা কিডনির সমস্যাগুলির মতো নির্দিষ্ট চিকিত্সার সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিদের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত এবং অ্যাকি খাওয়া বা খাদ্যতালিকাগত পরিবর্তন করার আগে একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। Ackee এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কি?কাঁচা আকি ফল খাওয়ার ফলে বিপাকীয় সিনড্রোম হতে পারে যা “জ্যামাইকান বমি অসুস্থতা” নামে পরিচিত। ক্লিনিকাল প্রকাশের মধ্যে প্রচুর বমি, পরিবর্তিত মানসিক…

Read more

Physalis বা গোল্ডেনবেরি

Physalis বা গোল্ডেনবেরি Physalis, কেপ গুজবেরি বা গোল্ডেনবেরি নামেও পরিচিত, একটি ছোট, গোলাকার ফল যা টমেটোর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত এবং নাইটশেড পরিবারের অন্তর্গত। এখানে ফিজালিসের কিছু সম্ভাব্য সুবিধা রয়েছে। নিয়মিত Physalis গ্রহণ আপনার চোখ রক্ষা করবে এবং চোখের রোগ প্রতিরোধ করবে। প্রতিদিনের ভিত্তিতে Physalis খাওয়া অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দূর করতে সহায়ক হতে পারে। এটি ডিমেনশিয়া এবং আলঝেইমার রোগের মতো জ্ঞানীয় রোগ এড়াতে এবং চিকিত্সা করতে সহায়তা করে। Physalis হল কম ক্যালোরির ফল, মাত্র 53 ক্যালোরি এবং এক গ্রাম চর্বি। প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি: ফিজালিস প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে এবং বেশ কয়েকটি বি ভিটামিন রয়েছে। এটি পটাসিয়াম, আয়রন এবং ফসফরাসের মতো খনিজও সরবরাহ করে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য: ফিজালিস ভিটামিন সি, ফ্ল্যাভোনয়েড এবং পলিফেনলের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, যা দীর্ঘস্থায়ী রোগ এবং বার্ধক্যের সাথে যুক্ত। ইমিউন সিস্টেম সমর্থন: ফিজালিসে উচ্চ ভিটামিন সি উপাদান শ্বেত রক্তকণিকা উৎপাদনের প্রচার করে এবং সংক্রমণ এবং রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করে ইমিউন সিস্টেমকে সমর্থন করতে পারে। চোখের স্বাস্থ্য: ফিজালিসে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, যা শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। সুস্থ দৃষ্টি বজায় রাখতে এবং চোখের স্বাস্থ্যকে সমর্থন করার জন্য ভিটামিন এ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব: ফিজালিসে পাওয়া কিছু যৌগ প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্যের সাথে যুক্ত। ফিজালিস খাওয়া শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনক অবস্থার পরিচালনার জন্য উপকারী। হজমের : ফিজালিস ডায়েটারি ফাইবারের একটি ভাল উত্স, যা হজমে সহায়তা করে এবং একটি স্বাস্থ্যকর পাচনতন্ত্রকে প্রচার করে। পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়তা করে। ত্বকের স্বাস্থ্য: ভিটামিন সি সহ ফিজালিসে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সহায়তা করে। তারা কোলাজেন উত্পাদন প্রচার করে এবং বার্ধক্যের লক্ষণগুলি হ্রাস করে স্বাস্থ্যকর ত্বকে অবদান রাখে। ওজন ব্যবস্থাপনা: ফিজালিসে ক্যালোরি কম এবং ফাইবার সমৃদ্ধ, এটি ওজন নিয়ন্ত্রণের ডায়েটে একটি ভাল সংযোজন করে তোলে। ফাইবার সামগ্রী তৃপ্তি বাড়ায়, আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ বোধ করতে সাহায্য করে এবং সম্ভাব্য ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। Physalis বা গোল্ডেনবেরি Physalis বা গোল্ডেনবেরি Physalis বা গোল্ডেনবেরি Physalis বা গোল্ডেনবেরি Physalis বা গোল্ডেনবেরি

Read more

ব্লুবেরি উপকারিতা

ব্লুবেরি উপকারিতা ব্লুবেরি হল ছোট, গোলাকার ফল যা শুধুমাত্র সুস্বাদুই নয়, অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা দিয়েও পরিপূর্ণ। এখানে ব্লুবেরির কিছু উপকারিতা : অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ: ব্লুবেরি তাদের উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সামগ্রীর জন্য পরিচিত, বিশেষ করে অ্যান্থোসায়ানিন। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, যা বার্ধক্য এবং বিভিন্ন রোগে অবদান রাখতে পারে। অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রোপার্টি: ব্লুবেরিতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রভাব রয়েছে, । ব্লুবেরির নিয়মিত সেবন শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে, যা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং নির্দিষ্ট ধরণের ক্যান্সারের মতো দীর্ঘস্থায়ী অবস্থার সাথে যুক্ত। হার্টের উপকার করে: ব্লুবেরি বিভিন্ন উপায়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। তারা রক্তচাপ কমাতে, এলডিএল (খারাপ) কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং সার্বিক কার্ডিওভাসকুলার ফাংশন উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। ব্লুবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবারের সংমিশ্রণ হার্টের স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য এবং জ্ঞানীয় ফাংশন:  মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য তাদের সম্ভাব্য সুবিধার কারণে ব্লুবেরিগুলিকে প্রায়শই “মস্তিষ্কের খাদ্য” হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এগুলি উন্নত স্মৃতিশক্তি, বর্ধিত শেখার ক্ষমতা এবং বয়স-সম্পর্কিত জ্ঞানীয় পতনের বিরুদ্ধে সুরক্ষার সাথে যুক্ত করা হয়েছে। ব্লুবেরিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি মস্তিষ্কের বার্ধক্যকে বিলম্বিত করতে এবং আলঝেইমারের মতো নিউরোডিজেনারেটিভ রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। হজমের উপকারী:  ব্লুবেরি ডায়েটারি ফাইবারের একটি ভাল উৎস, যা স্বাস্থ্যকর হজমকে উৎসাহিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। স্বাস্থ্যকর পরিপাকতন্ত্র বজায় রাখতে এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা প্রতিরোধের জন্য পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ অপরিহার্য। চোখের স্বাস্থ্য: ব্লুবেরিতে পাওয়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিশেষ করে লুটেইন এবং জেক্সানথিন চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তারা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রেটিনাকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং বয়স-সম্পর্কিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (AMD) এবং ছানি পড়ার ঝুঁকি কমায়। ডায়াবেটিস :  ব্লুবেরির একটি কম গ্লাইসেমিক সূচক রয়েছে, যার অর্থ তাদের রক্তে শর্করার মাত্রার উপর ন্যূনতম প্রভাব রয়েছে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি বা যারা তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাদের জন্য এগুলি একটি সুষম খাদ্যে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। ওজন ব্যবস্থাপনা: ব্লুবেরি তুলনামূলকভাবে কম ক্যালোরি এবং উচ্চ ফাইবার, ওজন ব্যবস্থাপনার জন্য এগুলিকে একটি দুর্দান্ত পছন্দ করে তোলে। ফাইবার উপাদান পূর্ণতা অনুভূতি প্রচার করতে সাহায্য করে, সামগ্রিক ক্যালোরি গ্রহণ হ্রাস. এছাড়াও ব্লুবেরি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে দ্রবণীয় ফাইবার এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এগুলি ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং ম্যাঙ্গানিজে পূর্ণ। এবং এখানে হয়ত সবথেকে বড় বোনাস: ব্লুবেরির স্বাদ দারুণ। মুঠো করে তাদের উপর স্ন্যাক করুন বা অতিরিক্ত স্বাদ যোগ করতে দই, ওটমিল বা সালাদে টস করুন। এটি সব যোগ করুন, এবং এতে অবাক…

Read more

মনাক্কা কি?

মনাক্কা কি? এগুলো আঙ্গুর মতো দেখা গেলেও আসলে এগুলো আঙ্গুর নয়, এগুলোর নাম মনাক্কাভারত থেকে আমদানিকৃত আঙ্গুর গোত্রীয় ফল এটি। আঙ্গুর কেনার আগে সাবধান থাকবেন, মনাক্কা আঙ্গুরের মতো দেখতে এবং খেতে হলেও এগুলো খেলে অনেকের গলা চুলকায়। বিশেষ করে যাদের এলার্জিটিক সেনসিটিভিটি আছে তারা এই মনাক্কা থেকে সাবধান। বর্তমানে এই দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির বাজারেও এর দাম আঙ্গুরের অর্ধেক! খুচরা বাজারে মনাক্কা এর মূল্য ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা এর বেশি নয়। তাই অনেক অসাধু বিক্রেতা এই মনাক্কাকে আঙ্গুর বলে আঙ্গুরের দামেই বিক্রি করছে। মনাক্কা এবং আঙ্গুরের মধ্যে পার্থক্য:- আঙ্গুর আর মনাক্কার মাঝে আসল পার্থক্য এর বীজ। মনাক্কার বীজ বড়, রং গাঢ় বাদামি বা সবুজ রংয়ের আর আঙ্গুরের মাঝে কোনো বীজ থাকে না। মনাক্কার সাইজ নরমাল আঙুরের থেকে বড়, যা প্রায় দুই থেকে তিন ইঞ্চির মতো হতে পারে। মনাক্কা আঙুরের থেকে বেশি মিষ্টি আর আঙ্গুর সাধারণত হালকা টক-মিষ্টি হয়। তবে জাত ভেদে মনাক্কাও টক হতে পারে। মনাক্কার দাম অনেক কম, যার খুচরা মূল্য কেজি প্রতি ১৩০-১৫০ টাকা। অপরদিকে আঙু্র ২০০-২৫০ টাকা প্রতি কেজি। আঙুর ও মনাক্কা ২ টা দিয়েই কিছমিছ / কিশমিশ হয়। তবে একটায় বীজ থাকে আর আরেকটায় থাকে না। মনাক্কাকে আবজোশ বা রেজিন ও বলা হয়ে থাকে। মনাক্কা কি? মনাক্কা কি?মনাক্কা কি? মনাক্কা কি?মনাক্কা কি? মনাক্কা কি? ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হানসহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। বরিশাল।সংগৃহীত

Read more

What are the best type coffee in the world?

Dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Odio ac neque fermentum morbi. Aenean lectus eu, arcu, turpis. In massa eget sagittis, aliquet maecenas ac. Sed leo interdum aenean cras gravida vitae vel blandit. Venenatis, magna feugiat rhoncus est. Tincidunt lectus felis ut semper lacus augue platea arcu. Sapien ante nisi, pellentesque magna aliquet imperdiet donec in eros. Fermentum, lacus ullamcorper at magna placerat dolor. Suspendisse malesuada nunc pretium id faucibus a. Lobortis pellentesque facilisis risus habitant. Mollis adipiscing iaculis quam mi pellentesque consectetur. Sit diam eleifend risus eget commodo adipiscing. Amet, nibh morbi ut sed interdum pharetra tincidunt quisque. Viverra hac imperdiet diam posuere ac. Justo, sit tincidunt laoreet a placerat. Rem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Odio ac neque fermentum morbi. Aenean lectus eu, arcu, turpis. In massa eget sagittis, aliquet maecenas ac. Sed leo interdum aenean cras gravida vitae vel blandit. Venenatis, magna feugiat rhoncus est. Mium dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Adipiscing ullamcorper senectus turpis amet. Mauris semper id ut pulvinar massa facilisi. Faucibus faucibus diam fringilla non, consequat. In ultrices non purus vitae risus, dictum nunc. Nisl, elementum viverra sodales euismod convallis nullam porttitor. Ligula enim nisi varius ultrices nunc aenean lorem eget. Feugiat orci risus sed consectetur sit purus aliquam. Urna, bibendum aliquet mi et, proin etiam vulputate. Mmmodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non odio morbi bibendum odio libero. Cursus commodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Rsus commodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non odio morbi bibendum odio libero.Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non odio morbi bibendum odio libero. Adipiscing ullamcorper senectus turpis amet. Mauris semper id ut pulvinar massa facilisi. Faucibus faucibus diam fringilla non, consequat. In ultrices non purus vitae risus, dictum nunc.Vel nisl, elementum viverra sodales euismod convallis nullam porttitor. Ligula enim nisi varius ultrices nunc aenean lorem eget. Feugiat orci risus sed consectetur sit purus aliquam. Urna, bibendum aliquet mi et, proin etiam vulputate. Ursus commodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non…

Read more

Delicious food trends to follow in 2022.

Dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Odio ac neque fermentum morbi. Aenean lectus eu, arcu, turpis. In massa eget sagittis, aliquet maecenas ac. Sed leo interdum aenean cras gravida vitae vel blandit. Venenatis, magna feugiat rhoncus est. Tincidunt lectus felis ut semper lacus augue platea arcu. Sapien ante nisi, pellentesque magna aliquet imperdiet donec in eros. Fermentum, lacus ullamcorper at magna placerat dolor. Suspendisse malesuada nunc pretium id faucibus a. Lobortis pellentesque facilisis risus habitant. Mollis adipiscing iaculis quam mi pellentesque consectetur. Sit diam eleifend risus eget commodo adipiscing. Amet, nibh morbi ut sed interdum pharetra tincidunt quisque. Viverra hac imperdiet diam posuere ac. Justo, sit tincidunt laoreet a placerat. Rem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Odio ac neque fermentum morbi. Aenean lectus eu, arcu, turpis. In massa eget sagittis, aliquet maecenas ac. Sed leo interdum aenean cras gravida vitae vel blandit. Venenatis, magna feugiat rhoncus est. Mium dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Adipiscing ullamcorper senectus turpis amet. Mauris semper id ut pulvinar massa facilisi. Faucibus faucibus diam fringilla non, consequat. In ultrices non purus vitae risus, dictum nunc. Nisl, elementum viverra sodales euismod convallis nullam porttitor. Ligula enim nisi varius ultrices nunc aenean lorem eget. Feugiat orci risus sed consectetur sit purus aliquam. Urna, bibendum aliquet mi et, proin etiam vulputate. Mmmodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non odio morbi bibendum odio libero. Cursus commodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Rsus commodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non odio morbi bibendum odio libero.Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non odio morbi bibendum odio libero. Adipiscing ullamcorper senectus turpis amet. Mauris semper id ut pulvinar massa facilisi. Faucibus faucibus diam fringilla non, consequat. In ultrices non purus vitae risus, dictum nunc.Vel nisl, elementum viverra sodales euismod convallis nullam porttitor. Ligula enim nisi varius ultrices nunc aenean lorem eget. Feugiat orci risus sed consectetur sit purus aliquam. Urna, bibendum aliquet mi et, proin etiam vulputate. Ursus commodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non…

Read more

Always add some freshly sliced fruits in your daily diet

Dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Odio ac neque fermentum morbi. Aenean lectus eu, arcu, turpis. In massa eget sagittis, aliquet maecenas ac. Sed leo interdum aenean cras gravida vitae vel blandit. Venenatis, magna feugiat rhoncus est. Tincidunt lectus felis ut semper lacus augue platea arcu. Sapien ante nisi, pellentesque magna aliquet imperdiet donec in eros. Fermentum, lacus ullamcorper at magna placerat dolor. Suspendisse malesuada nunc pretium id faucibus a. Lobortis pellentesque facilisis risus habitant. Mollis adipiscing iaculis quam mi pellentesque consectetur. Sit diam eleifend risus eget commodo adipiscing. Amet, nibh morbi ut sed interdum pharetra tincidunt quisque. Viverra hac imperdiet diam posuere ac. Justo, sit tincidunt laoreet a placerat. Rem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Odio ac neque fermentum morbi. Aenean lectus eu, arcu, turpis. In massa eget sagittis, aliquet maecenas ac. Sed leo interdum aenean cras gravida vitae vel blandit. Venenatis, magna feugiat rhoncus est. Mium dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Adipiscing ullamcorper senectus turpis amet. Mauris semper id ut pulvinar massa facilisi. Faucibus faucibus diam fringilla non, consequat. In ultrices non purus vitae risus, dictum nunc. Nisl, elementum viverra sodales euismod convallis nullam porttitor. Ligula enim nisi varius ultrices nunc aenean lorem eget. Feugiat orci risus sed consectetur sit purus aliquam. Urna, bibendum aliquet mi et, proin etiam vulputate. Mmmodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non odio morbi bibendum odio libero. Cursus commodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Rsus commodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non odio morbi bibendum odio libero.Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non odio morbi bibendum odio libero. Adipiscing ullamcorper senectus turpis amet. Mauris semper id ut pulvinar massa facilisi. Faucibus faucibus diam fringilla non, consequat. In ultrices non purus vitae risus, dictum nunc.Vel nisl, elementum viverra sodales euismod convallis nullam porttitor. Ligula enim nisi varius ultrices nunc aenean lorem eget. Feugiat orci risus sed consectetur sit purus aliquam. Urna, bibendum aliquet mi et, proin etiam vulputate. Ursus commodo eget faucibus tellus. Eget netus nec magnis fermentum. Diam quam quam suspendisse vitae consequat phasellus non…

Read more

গরুর চামড়ার পুষ্টিগুণ

গরুর চামড়ার পুষ্টিগুণ প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর চামড়ায় ২২৫ কিলো ক্যালরি শক্তি থাকে। উপাদান হিসেবে এই ১০০ গ্রামে ৪৭ গ্রাম প্রোটিন, ৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম চর্বি, ০.০২ গ্রাম ফাইবার এবং ৪৫ গ্রাম পানি থাকে। গরুর চামড়ার প্রোটিন সাধারণত জিলাটিন হিসেবে থাকে। জিলাটিন হাড় ও ত্বক গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খাওয়ার নিয়মঃ- চামড়া প্রথমে ১ বর্গফুট করে কেটে খাওয়ার সোডা দিয়ে ব্রাশ দিয়ে ঘষে যে দিকে লোম আছে সেদিক ভাল করে পরিস্কার করে নিতে হবে। লবন পানিতে ১৫ মিনিট ফুটাতে হবে, এর পর ধুয়ে পরিস্কার করে আবার পরিস্কার পানিতে ডুবিয়ে ১৫-২০ মিনিট ফুটিয়ে নামিয়ে ৩-৪ ঘন্টা রেখে দিতে হবে।এর পর নামিয়ে ভোতা ছুরি দিয়ে ঘসা দিলেই উপরের দিকের একটা লেয়ার লোম সহ উঠে আসবে ও একদম পরিস্কার হয়ে যাবে। এর পর ভাল করে ধুয়ে ফ্রিজে রেখে যেকোনো সময় ছোট টুকরা করে গোশতর মত ঝোল /ভুনা বা ফ্রাই করে খেতে পারেন। যে সকল দেশে খাওয়ার প্রচলন রয়েছেঃ- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং নাইজেরিয়ায় গরুর চামড়া প্রাণীজ আমিষের উৎস হিসেবে ব্যাপক উৎসাহের সাথে খাওয়া হয়। তাছাড়া গরুর চামড়া খাওয়া শতভাগ হালাল।

Read more

Chia seed চিয়া বীজ

Chia seed চিয়া বীজ চিয়া বীজ ছোট হতে পারে, কিন্তু তারা পুষ্টিতে অবিশ্বাস্যভাবে সমৃদ্ধ। চিয়া বীজে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ পদার্থ, ফাইবার এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে, শক্তিশালী হাড়কে সমর্থন করতে পারে এবং রক্তে শর্করার ব্যবস্থাপনার উন্নতি করতে পারে। চিয়া বীজ বহুমুখী এবং অনেক রান্নায় ব্যবহার করা যেতে পারে। চিয়া সিড এর পুষ্টিগুন: দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম! কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি! পালংশাকের চেয়ে তিনগুণ বেশি আয়রন। কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম। সামান্য মাছের থেকে ৮গুণ বেশি ওমেগা -৩ পিপড়া তাড়ানোর সহজ উপায় উপকারিতা ও ব্যবহার বিধিঃ চিয়া সিড হার্ড সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। চিয়া সিড শক্তি এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। চিয়া সিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করে! চিয়া সিড ওজন কমাতে সহায়তা করে। চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি )স্বাভাবিক রাখে! চিয়া সিড হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারী। চিয়া সিড মলাশয় পরিষ্কার রাখে ফলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। চিয়া সিড শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দেয়! চিয়া বীজ প্রদাহ জনিত সমস্যা দূর করে। চিয়া বীজ ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে। চিয়া বীজ ক্যান্সার রোধ করে। চিয়া বীজ হজমে সহায়তা করে। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়ন্টের ব্যথা দূর করে। চিয়া সিড ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে। চিয়া সিড অ্যাটেনশন ডেফিসিটি হাইপার অ্যাক্টিভিটি দূর করে। চুইঝাল কেন খাবেন ওজন কমাতে চিয়া সিড এর পানি খাওয়ার নিয়ম:এক গ্লাস পানিতে ১ চামচ চিয়া বীজ নিয়ে নেড়ে ৩০মিনিট রেখে দিন তারপর খেয়ে নিন স্বাদ বাড়াতে চাইলে এতে লেবুর রস ,কমলার রস, গোলমরিচের গুঁড়া ,মধু মিশিয়ে নিতে পারেন! আরও পড়ুনঃ- স্বাস্থ্য কমানোর ঘরোয়া উপায় Chia seed চিয়া বীজ Chia seed চিয়া বীজ Chia seed চিয়া বীজ Chia seed চিয়া বীজ

Read more

পেয়ারা স্বাস্থ্য উপকারিতা

পেয়ারা স্বাস্থ্য উপকারিতা পুষ্টিগুণ: পেয়ারায় ভিটামিন সি, ক্যারোটিনয়েডস, ফোলেট, পটাশিয়াম, আঁশ এবং ক্যালসিয়াম প্রভৃতিতে সমৃদ্ধ। একশ’ গ্রাম পেয়ারায় দুইশ’ মি.গ্রা. ভিটামনি সি আছে অর্থাৎ পেয়ারায় কমলার চেয়ে ৪গুণ বেশি ভিটামিন সি আছে। পেয়ারার খোসায় কমলায় চেয়ে পাঁচগুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে। এই ফলে লৌহ উপাদানও পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যমান। পুষ্টিমানের বিবেচনায় কমলার মান যেখানে ১৮৬ পয়েন্ট সেক্ষেত্রে পেয়ারার পুষ্টি মূল্যমান ৪২১ পয়েন্ট। চুইঝাল কেন খাবেন ★পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেনল আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধক। পেয়ারার উপকারিতা: ☆ পেয়ারাতে পাওয়া যায় ভিটামিন সি যা শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি করে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া যে কোন ইনফেকশন থেকে পেয়ারা শরীরকে সুস্থ রাখে। ☆ লাইকোপেন(Lycopene), কোয়ারকেটিন(Quercetin), ভিটামিন সি এবং আরো কিছু পলিফেনল আছে যা শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে আর এই এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার হওয়ার ঝুকি কমায়। বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যান্সার কমাতে অনেক সাহায্য করে পেয়ারা। ☆ পেয়ারাতে ফাইবার এবং কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকার কারণে এটি খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে আর তাই ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুকি কিছুটা কম থাকে। ☆ পেয়ারা শরীরের সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম এর ব্যালান্স বাড়ায়,যা কিনা ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে। ☆ পেয়ারা ট্রাইগ্লিসারাইড এবং LDL নামক একটি খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় যার ফলে হার্টের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।রক্তে চর্বি কম জমে এর ফলে। একই সাথে এই পেয়ারা HDL নামক একটি কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় যা কিনা হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ☆ পেয়ারা একটি ফাইবার জাতীয় ফল তাই এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ছেলেদের চুলপড়ার কারণ ও করণীয় ☆ পেয়ারাতে ভিটামিন এ আছে যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, তাছাড়া এটি খেলে চোখের ছানি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যায়। ☆ পেয়ারাতে আছে ফলিক এসিড যা একজন গর্ভবতী মায়ের জন্য খুবই প্রয়োজন, গর্ভবতীদের ডাক্তাররা ফলিক এসিড দিয়ে থাকেন কারণ এটি শিশুর নার্ভাস সিস্টেমকে উন্নত করে, সাথে এটি শিশুর নিউরোলোজিক ডিজঅর্ডার থেকে দুরে রাখে। ☆ পেয়ারাতে আছে প্রচুর ভিটামিন সি ও আয়রন তাই কফ দূরীকরণে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে, কফ জমা সাড়াতে পেয পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ #পেয়ারার রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘সি’ ও লাইকোপেনসমৃদ্ধ পেয়ারা। পেয়ারা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য খুবই উপকারী এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া চোখের জন্য ভালো, প * পেয়ারায় যে আঁশ আছে, তা শরীরে চিনি শোষণ কমাতে পারে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খেলে টাইপ-২…

Read more

কলার মোচা কেন খাবেন? 4592

কলার মোচা কেন খাবেন? 4592 বাঙালি মাত্রই ইলিশ তো আছেই, সেই সাথে আছে মোচা। এমন কোনও বাঙালি বাড়ি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যেখানে মোচা রান্না হয় না! মোচা সবার প্রিয়। আর শরীরের জন্যেও খুব উপকারী মোচা। বিশেষজ্ঞদের মতে, মোচায় ফাইবার,প্রোটিন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাস, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন ই থাকে। কলার মোচা ভর্তা মুখরোচক একটি খাবার। এতে অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। মোচাতে থাকে মেন্থলের নির্যাস, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এবং এটা ভিটামিন বি সিক্স, সি ও আঁশ সমৃদ্ধ। আরও আছে যেমন ভিটামিন ই, প্রোটিন, অন্যান্য পুষ্টি উপাদান যা শরীরের জন্য উপকারী। আর মেয়েদের বিশেষ করে এটি খাওয়া প্রয়োজন। পিরিয়ডস হলে অনেকের পেট ব্যথা হয়।জেনে রাখা ভালো যে, কলার ফুল রজঃকালীন ব্যথা কমায় ও প্রোজেস্টেরন উৎপাদন বৃদ্ধি করে রক্ত স্বল্পতা হ্রাস করে। এছাড়া এটা পেটের সমস্যা যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলাভাব এবং ‘পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (পিসিওএস) নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। কলার মোচায় রয়েছে ফেনলিক অ্যাসিড, অন্যান্য ‘বায়োঅ্যাক্টিভ’, যা রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। যে মায়েরা শিশুকে স্তন্যপান করাচ্ছেন, তাঁদের অবশ্যই কলার মোচা খাওয়া উচিৎ। খেজুর কেন খাবেন? স্তন্যদানকারী মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এতে আছে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে। দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণও কমায়: কলার মোচায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উন্মুক্ত ‘রেডিকল’য়ের বিরুদ্ধে কাজ করে। জারণ ক্ষয় প্রতিহত করে ও হৃদরোগ, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও অনেক মহিলার গর্ভাশয়ের জটিলতা দেখা যায়। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহিলাদের গর্ভাশয়জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে মোচার পাঁচন খুব উপকার। কলার মোচা কেন খাবেন? 4592 কলার মোচা কেন খাবেন? 4592 কলার মোচা কেন খাবেন? 4592

Read more

খেজুর কেন খাবেন?

খেজুর কেন খাবেন? প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধে দু’টি খেজুর মিশিয়ে খাবেন।খাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ বলবেন,মুসলমান হলে জেনে থাকবেন এটা একটা সুন্নাহ। এছাড়া খেজুরের মধ্যে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে। মন ভালো রাখতেও কার্যকরী দুধ ও খেজুর। মেসওয়াক ব্যবহারের 46 টি ফজিলত খেজুরে আছে প্রাকৃতিক শর্করা।আর দুধকে বলা হয় সুপার ফুড বা সর্বগুণ সম্পন্ন খাবার। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, সি,ভিটামিন বি-১২, নিয়াসিন ও রিবোফ্লভিন । এই দুই একসঙ্গে খেলে তার পুষ্টিগুণও বেড়ে যায়। শরীর দুর্বল লাগা, মাথা ঘোরা এমন সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন সহজেই ইনশা আল্লাহ। চোখে সমস্যা দেখা দিতে পারে যেকোনো বয়সেই। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতেও এই খেজুর দুধ খেতে পারেন। এছাড়াও চোখে অঞ্জনির সমস্যায়, যারা একটানা কম্পিউটারের সামনে কাজ করেন তাদের জন্য খেজুর দুধ উপকারী। খেজুর কেন খাবেন? নানারকম চেষ্টার পরেও ওজন বাড়াতে পারছেন না, এমন অনেকেই আছেন। তাদের ক্ষেত্রে কার্যকরী হতে পারে খেজুর দুধ। কারণ এটি খুবই স্বাস্থ্যকর। টানা বেশ কয়েক সপ্তাহ খেলে ওজন বাড়বে। এছাড়াও শরীরের উজ্জ্বলতা বাড়বে দ্রুত। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহর কাছে তোমরা সুস্বাস্থ্য প্রার্থনা কর। কারণ ঈমানের পর সুস্বাস্থ্যের চেয়ে অধিক মঙ্গলজনক কোনো কিছু কাউকে দান করা হয়নি।’ (ইবনে মাজাহ) কোরআন শরিফ প্রথম লেখা হয়েছিল খেজুর গাছের পাতায়। আল্লাহ বলেন, অর্থ : ‘আমি জমিনে উৎপন্ন করেছি শস্য-দ্রাক্ষী, শাক-সবজি, জয়তুন ও খেজুর বৃক্ষ।’ সূরা-আবাসা, আয়াত : ২৭। ‘খেজুর ও আঙ্গুর ফল থেকে তোমরা সাকার ও উত্তম খাদ্য তৈরি কর। নিঃসন্দেহে বুদ্ধিমান লোকদের জন্য এতে নিদর্শন রয়েছে।’ সূরা- নাহাল, আয়াত : ৬৭, এ ছাড়া সূরা আনআমের নিরানব্বই নম্বর এবং সূরা মরিয়মের তেইশ নম্বর আয়াতেও খেজুরের উপকারিতা বর্ণনা করা হয়েছে। আসুন দেখি,খেজুর সম্পর্কে রাসূল (সা) কি বলেন- হজরত সায়ীদ (রা.) বর্ণনা করেন, একদা আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে রসুলে পাক (সা.) আমাকে দেখতে তাশরিফ নিয়ে এলেন। রসুলে পাক (সা.) পবিত্র হাতের শীতলতা আমার অন্তর পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। অতঃপর রসুলে আকরাম (সা.) এরশাদ ফরমালেন- ‘তুমি অন্তরে কষ্ট অনুভব করছ। তুমি হারেস ইবনে কালদাহ সাকি্বফীর কাছে যাও। কারণ সে একজন চিকিৎসক। সে যেন মদিনার সাতটি আজওয়া খেজুর নিয়ে বীজসহ পিশে তোমার মুখে ঢেলে দেয়।’ -আবু দাউদ, মিশকাত। হজরত সাদ রাদিয়াআল্লাহু আনহু একবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে দেখতে যান এবং হৃদরোগের চিকিৎসার নসিহত পেশ করেন-…

Read more

যাক্কুম গাছ ! 4586

যাক্কুম গাছ ! 4586 দেখতে কি ভয়াবহ-বীভৎস…!!এই গাছ রয়েছে সৌদি আরবের তায়েফ অঞ্চলে। মক্কা থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে তাইফ শহর।শহরটি চারদিকে শীতল পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত।এখন এই অঞ্চলে যাক্কুম গাছও সমৃদ্ধ হচ্ছে।এটি প্রচুর বড় বড় তীক্ষ্ণ কাঁটযুক্ত একটি গাছ। পবিত্র কুরআনে সুরা আল-ওয়াকিয়াহ এর ৫২ নং আয়াতে বলা হয়েছে, এই গাছের ফল হবে জাহান্নাম বাসীদের জন্য খাদ্য স্বরূপ। “লায়া’কিলুনা মিন সাজারীম মিন যাক্কুম’ অর্থাৎ-“তোমরা অবশ্যই যাক্কুম গাছ থেকে খাবে” মেসওয়াক ব্যবহারের 46 টি ফজিলত তাফসীরে এসেছে, এই খাবার পচে গলে যাওয়া অতিশয় দূর্রগন্ধযুক্ত খাবার, গলিত পিতলের মতো স্বাদ আসবে, বরং আরও খারাপ। ফলগুলি তাদের শরীরে ও মুখে জ্বলন্ত অঙ্গার স্বরূপ হবে। যাক্কুম শব্দটি পবিত্র কুরআনে- এই খাবার মূলত জেনাকারী বা ব্যভিচারী স্ত্রী-পুরুষদের খাওয়ানো হবে। যাক্কুম গাছ ! 4586

Read more

যে খাবারে মস্তিস্কের সক্রিয়তা বাড়াকে সাহায্য করে

যে খাবারে মস্তিস্কের সক্রিয়তা বাড়াকে সাহায্য করে ২০ রকমের খাবার যা মস্তিষ্ক বৃদ্ধিতে ও মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়াতে সহায়তা করে। ১. কলা২. আপেল৩. বাদাম৪. ডিম৫. কফি৬. সবুজ শাক৭. গ্রীন টি৮. গমের তৈরি খাবার৯. আখরোট১০. অলিভ অয়েল কোন খাবার হজম হতে কত সময় লাগে১১. মধু১২. ব্রোকলি১৩. গাজর১৪. মিষ্টিকুমড়ার বীজ১৫. বেদানা১৬. ডার্ক চকলেট১৭. টমেটো১৮. ওটমিল১৯. মিষ্টি আলু২০. কাঁচা মরিচ ইফতারের পর হার্ট অ্যাটাক বাড়ার কারণ কি ?

Read more

চায়ের সাথে যে 5টি খাবার খাওয়া উচিত নয়

চায়ের সাথে যে 5টি খাবার খাওয়া উচিত নয় চা-প্রেমিদের জন্য দিনে এক বা দু’কাপ চা খাওয়াটা কোনও ব্যাপার না। চাইলে সেই সংখ্যাটা ইচ্ছে মতো বাড়তেও পারে। তবে জানেন কি? চায়ের সঙ্গে এই পাঁচটা খাবার, কখনই খাওয়া উচিত নয়। কী কী সেই খাবার? বেসনঃ- বাড়িতে কোনও অতিথি এলে, তাঁদের চায়ের সঙ্গে ‘টা’ দেওয়ার রীতি রয়েছে। তবে অতিথিকে কখনই চায়ের সঙ্গে বেসনের কোনও খাবার দেওয়া উচিত নয়। এতে হজমের অসুবিধা হতে পারে। অ্যাসিডিটি হতে পারে। সবুজ সবজিঃ- চিকিৎসকরা বলছেন, চায়ের সঙ্গে সবুজ সবজি দিয়ে তৈরি কিছু খাওয়া একদম উচিত নয়। লেবুঃ- লেমন টি বা লেবু চা খেতে অনেকেই ভালবাসেন। ভাবেন এতে হয়ত শরীরের ভাল হবে। কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল। এতে অ্যাসিডিটি বাড়তে পারে। আরও পড়ুনঃ-রোজা রাখা অবস্থায় চিকিৎসা সংক্রান্ত কী কী করা যাবে আবার কী করা যাবে না হলুদঃ- হলুদ রয়েছে এমন খাবারও নাকি চায়ের সঙ্গে না খাওয়া উচিত। এর ফলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাদাম জাতীয় খাবারঃ- চায়ের সঙ্গে বাদাম জাতীয় কিছু খেলে নাকি, শরীরে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। চায়ের সাথে যে 5টি খাবার খাওয়া উচিত নয় চায়ের সাথে যে 5টি খাবার খাওয়া উচিত নয় চায়ের সাথে যে 5টি খাবার খাওয়া উচিত নয় চায়ের সাথে

Read more

স্বাস্থ্যকর ইফতার হিসেবে কী খাওয়া উচিত

স্বাস্থ্যকর ইফতার হিসেবে কী খাওয়া উচিত পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে যাচ্ছে। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার একটি গুরুত্বপূর্ণ আহার। অনেকেরই ধারনা নেই একটি পুষ্টিকর ইফতার কিভাবে তৈরি করতে হয়। সাধারণত যে ইফতারগুলো আমরা গ্রহণ করে থাকি তা খেতে মজাদার হলেও স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর। জেনে নিন ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে কী খাবেন- টক দই এবং ওটস মিক্স ওটস মিক্স এক ধরনের সিনবায়টিক খাবার, এটি পরিপাকতন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরিতে সাহায্য করে। তাই টক দই, ওটস, বিভিন্ন ফল ও বাদাম ইত্যাদি মিক্স করে খেতে পারেন। চাইলে মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। আমন্ড দুধ এক কাপ কাঠবাদাম সারারাত ভিজিয়ে রেখে তাতে ৪ কাপ পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর ছেঁকে নিলেই হয়ে গেল আমন্ড দুধ। অঙ্কুরিত মেথি আধা কাপ মেথি দানা সারারাত ভিজিয়ে রেখে, সকালে ছেকে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্রে নিয়ে ভেজা তোয়ালে দিয়ে ৮-১০ ঘণ্টা ঢেকে রাখলেই অঙ্কুর বের হয়ে আসবে। এটি আপনি আপনার সালাদে যুক্ত করতে পারেন। তবে একজন ব্যক্তির দিনে ৪ চা চামচের বেশি অংকুর খাওয়া উচিত নয়। এছাড়া মাশরুম, চিকেন স্যুপ ইত্যাদি আপনাদের প্রতিদিনের ইফতার তালিকায় গ্রহণ করতে পারেন। কী খাবেন না ভাজা-পোড়া খাদ্য যেমন পেঁয়াজু, বেগুনি, বেসন দিয়ে তৈরি চপ। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত বা কৃত্রিম জুস। তেহারি, বিরিয়ানি, কাবাব। অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাদ্য। আরও পড়ুনঃ- আট বউ নিয়ে একসাথে সংসার করছে স্বামী যেভাবে খেতে হবে প্রথমে খেজুর দিয়ে রোজা ভেঙে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর মূল আহার শুরু করা উচিত। এতে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা যায়। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। চেষ্টা করুন পানিযুক্ত মৌসুমি ফল খেতে। তাড়াহুড়ো না করে আস্তে আস্তে সময় নিয়ে খাবার গ্রহণ করুন। স্বাস্থ্যকর ইফতার হিসেবে কী খাওয়া উচিত স্বাস্থ্যকর ইফতার হিসেবে কী খাওয়া উচিত স্বাস্থ্যকর ইফতার হিসেবে কী খাওয়া উচিত স্বাস্থ্যকর ইফতার হিসেবে কী খাওয়া উচিত

Read more

ক্লান্তি দূর করতে যা খাওয়া প্রয়োজন

ক্লান্তি দূর করতে যা খাওয়া প্রয়োজন অতিরিক্ত কাজ করতে যেয়ে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন অনেকেই। যারা মাঠে কাজ করেন বা খেলাধুলার সাথে যুক্ত রোদের তাপ লাগলে ক্লান্ত হয়ে পড়েন? এই ক্লান্তিভাব দূর করার জন্য প্রয়োজন কিছু এনার্জিযুক্ত খাবার। যেমন- পানি, জ্যুস, স্যালাইনঃ অতিরিক্ত রোদে কাজ করলে শরীর ডি-হাইড্রেট হয়ে যায় তাই এই সময়ে প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি। মাঠে খেলার সময় বা কাজ করার সময় সাথে পানি, স্যালাইন অথবা জ্যুস রাখবেন। এতে করে শরীরের ইলেক্টোলাইটের ব্যালেন্স থাকবে এবং ক্লান্তিভাব দূর হবে। কলাঃ কলাতে আছে আয়রন ও এনার্জি। যখন কেউ অনেক ক্লান্তি অনুভব করবেন সাথে সাথেই কলা খেয়ে নিবেন এতে ইন্সট্যান্ট এনার্জি বুস্ট হবে। তবে যাদের কলাতে এসিডিটি আছে তাদের সেই মূহুর্তে এড়ানোই ভাল। ব্ল্যাক কফিঃ ব্ল্যাক কফি যেমন রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে ঠিক তেমনি এটি ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম। তবে যারা খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েন কাজ করতে যেয়ে তারা ব্ল্যাক কফি পান করলে ইন্সট্যান্ট এনার্জি পাবেন। ডার্ক চকলেটঃ ডার্ক চকলেট ইন্সট্যান্ট এনার্জি বুস্টের জন্য খুব ভাল একটি খাবার। এটি নার্ভ সিস্টেমকে সতেজ ও সজাগ রাখে। আপেলঃ এনার্জি বুস্টের জন্য এবং ক্লান্তিভাব কাটানোর জন্য আপেল খুব ভাল ফল। এটি ব্যাগে রাখাও সহজ। আরও পড়ুনঃ-পটলের উপকারিতা গ্রীন টিঃ গ্রীন টি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর পাশাপাশি শরীর ও চোখের ক্লান্তিভাব দূর করতে সক্ষম গ্রীন টি। বাদামঃ যেকোন বাদামে প্রচুর পরিমানে এনার্জি পাওয়া যায়। বাদামে ভাল ফ্যাট আছে যা শরীরের জন্য ভাল। আদা চাঃ আদা চা ক্লান্তিভাব কমাতে সক্ষম তাই কাজের ফাঁকে আদা চা পান করতে পারেন। খেঁজুরঃ কর্মজীবি মানুষদের জন্য খেঁজুর এনার্জি বাড়ানোর খুব ভাল ফল। খেঁজুর কাজের ফাঁকে ১-২ টি খাওয়া যেতে পারে। এতে প্রচুর এনার্জি পাওয়া যায় এবং পেট ভরা থাকে। ডিমঃ ডিম যেমন প্রথম শ্রেণীর প্রোটিন তেমনি এটি অনেক এনার্জি দেয় এবং দেহের ক্লান্তিভাব দূর করে। ক্লান্তি দূর করতে যা খাওয়া প্রয়োজন ক্লান্তি দূর করতে যা খাওয়া প্রয়োজন ক্লান্তি দূর করতে যা খাওয়া প্রয়োজন ক্লান্তি দূর করতে যা খাওয়া প্রয়োজন ক্লান্তি দূর করতে যা খাওয়া প্রয়োজন

Read more

Benefits of Mixed Dry Fruits

Benefits of Mixed Dry Fruits Many of us have heard the name Mixed Dry Fruits. This food has many benefits in our physical life. It is not known what these mixed dry fruits are made of and its benefits. Benefits of Mixed Dry Fruits- These foods act as a source of energy in the human body Mixed dry fruits help keep the brain cool. This food will play a helpful role in solving sexual problems and increase sexual energy. In married life, husband and wife increase their support at special moments. Regular consumption of mixed dry fruits increases sperm count. One of the reasons for not having a baby is thin semen, and this thin semen reduces the ability to have a baby, which leads to miscarriage. Eating mixed dry fruits regularly thickens semen. Mixed dry fruits prevent cancer. Eating mixed dry fruits controls blood pressure. This food enhances the beauty of hair. Controls diabetes. This food helps in melting excess body fat and helps in weight loss. This food is beneficial for dental diseases and liver problems, sharpens memory, eliminates cataracts and other eye problems, helps to increase digestion, eliminates anemia. There are many more benefits to these mixed dry fruits. Read more:- Nutritional value of turnip What is the combination of ingredients dry fruit Almonds Almonds Peanuts Walnuts Gold raisins Dry prunes Dates Date saliva Chinese nuts Pumpkin seeds Apricot Coconut crackers Cherry fruit Jam Black currant Watermelon seeds Sesame. Etc… Benefits of Mixed Dry Fruits Benefits of Mixed Dry Fruits Benefits of Mixed Dry Fruits Benefits of Mixed Dry Fruits

Read more