আল্লাহ তা’য়ালা যে ৭টি গুণকে ভালোবাসেন

Spread the love

আল্লাহ তা’য়ালা যে ৭টি গুণকে ভালোবাসেন

১. তওবা
“নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদেরকে ভালবাসেন”
(সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২২২)

২. তাহারাত [পবিত্রতা]
“এবং ভালবাসেন অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকে”
(সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২২২)

৩. তাকওয়া [আল্লাহ ভীতি]
“নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকীদের ভালবাসেন”
(সূরা আত-তাওবা, আয়াত ৪)

৪. ইহসান
“আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন”
(সূরা আল-ইমরান, আয়াত ১৩৪)

৫. তাওয়াক্কুল
“নিশ্চয় আল্লাহ তাওয়াক্কুলকারীদেরকে ভালবাসেন”
(সূরা আল-ইমরান, আয়াত ১৫৯)

৬. ন্যায়বিচার
“নিশ্চয় আল্লাহ ন্যয়পরায়ণদেরকে ভালবাসেন”
(সূরা আল-মায়েদা, আয়াত ৪২)

৭. সবর
“আল্লাহ ধৈর্যশীলদেরকে ভালবাসেন”
(সূরা আল- ইমরান, আয়াত ১৪৬)

Related Posts

দুশ্চিন্তা দূর করার আমল

Spread the love

Spread the loveTweetদুশ্চিন্তা দূর করার আমল ১. ভালো-মন্দ তাকদিরের ওপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস রাখুন। কেননা তাকদিরের ওপর পূর্ণ আস্থাবান ব্যক্তিকে দুশ্চিন্তা কাবু করতে পারে না। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আল্লাহ তোমাদের ক্লেশ দিলে তিনি ছাড়া তা মোচনকারী আর কেউ নেই। আর আল্লাহ যদি তোমার মঙ্গল চান, তাহলে তাঁর অনুগ্রহ রদ করার কেউ নেই…।’ (সুরা : ইউনুস, আয়াত : ১০৭) ২. দুনিয়ার বিপদের তুলনায় পরকালের বিপদের কথা স্মরণ করুন। দুনিয়ার বিপদ-আপদ আপনার জন্য পরকালের বিপদ থেকে রেহাই পাওয়ার কারণ হতে পারে। আর পরকালের বিভীষিকাময় পরিস্থিতির তুলনায় দুনিয়ার বিপদ-আপদ খুবই নগণ্য। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘যেদিন তারা তা প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা পৃথিবীতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাত অবস্থান করেছে।’ (সুরা : নাজিআত, আয়াত : ৪৬) ৩. চিন্তার মোড় ঘুরিয়ে দিন। নিজের চেয়ে নিচের মানুষদের অবস্থার দিকে তাকান। ভাবুন, আল্লাহ আপনাকে তার থেকে ভালো রেখেছেন। মনোবিজ্ঞানীরাও ডিপ্রেশনের চিকিৎসা হিসেবে রোগীকে এভাবে চিন্তা করার উপদেশ দিয়ে থাকেন। মহানবী (সা.) দেড় হাজার বছর আগেই চিকিৎসার এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছিলেন। হাদিসে এসেছে, খাব্বাব (রা.) বলেন, আমরা আল্লাহর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে অভিযোগ করলাম এ অবস্থায় যে তিনি কাবাঘরের ছায়ায় একটি চাদরে ঠেস দিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আমরা বললাম, আপনি কি আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবেন না? আপনি কি আমাদের জন্য দোয়া করবেন না? জবাবে তিনি বলেন, ‘তোমাদের জানা উচিত, তোমাদের আগের মুমিন লোকেদের এই অবস্থা ছিল যে একজন মানুষকে ধরে আনা হতো, তার জন্য গর্ত খুঁড়ে তাকে তার মধ্যে পুঁ*তে রাখা হতো। অতঃপর তার মাথার ওপর ক*রা*ত চালিয়ে তাকে দুই খণ্ড করে দেওয়া হতো এবং দেহের গোশতের নিচে হাড় পর্যন্ত লোহার চিরুনি চালিয়ে শা*স্তি দেওয়া হতো। কিন্তু এই কঠোর পরীক্ষা তাকে তার দ্বিন থেকে ফেরাতে পারত না। (বুখারি, হাদিস : ৩৬১৬) আরও পড়ুনঃ- আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম এবং তার গুরুত্ব ও ফজিলত ৪. আল্লাহর ব্যাপারে সুধারণা পোষণ করুন। তাঁর ওপর ভরসা রাখুন। আশা রাখুন যে তিনি আপনাকে আপনার দুরবস্থা থেকে নাজাত দেবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ৩) রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, ‘আমি সেরূপ, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৯০১)  ৫. ধৈর্য ধারণ করুন। বিশ্বাস করুন যে কষ্টের পর স্বাচ্ছন্দ্য আসে। কঠিন অবস্থার পর সচ্ছলতা আসে। পবিত্র কোরআনে এসেছে,…

Read more

আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম এবং তার গুরুত্ব ও ফজিলত ! 4416

Spread the love

Spread the loveTweetআজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম এবং তার গুরুত্ব ও ফজিলত রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’যে ব্যাক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে আযানের জবাব দেবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (সুনানে নাসাঈ; হাসান; হাদীস নং- ৬৭৪) কিভাবে জবাব দেবেন আজানের? আবু সাঈদ খুদরি (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’যখন তোমরা আজান শুনতে পাও, তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরা তাই বল’ (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-৩৮৩) উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’মুয়াজ্জিন যখন ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর’ বলে তখন তোমাদের কোন ব্যাক্তি আন্তরিকতার সাথে তার জবাবে বলে ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর’ যখন মুয়াজ্জিন বলে, ‘আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর জবাবে সেও বলে ‘আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ; অতঃপর মুয়াজ্জিন যখন বলে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসুলুল্লাহ’ এর জবাবে সে বলে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসুলুল্লাহ’ ; অতঃপর মুয়াজ্জিন বলে ‘হাইয়া আলাস সলাহ’ এর জবাবে সে বলে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’; অতঃপর মুয়াজ্জিন যখন বলে ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ এর জবাবে সে বলে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’; অতঃপর মুয়াজ্জিন যখন বলে ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর’ এর জবাবে সে বলে ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর’ ; অতঃপর মুয়াজ্জিন যখন বলে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর জবাবে সে বলে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ আজানের এই জবাব দেয়ার কারনে সে জান্নাতে যাবে। (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-৩৮৫) [অর্থ্যাৎ আজানের জবাব দেয়ার নিয়ম হলো, মুয়াজ্জিন যা বলবে তাই বলা, শুধু হাইয়ালাস সালা, এবং হাইয়ালাল ফালা, এই দুই বাক্যের সময় লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লা বলা আরও পড়ুন:- নীল নদে কেন যুবতী নারী বলি দেয়া হতো আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে দু’আর ফজিলতঃ আনাস ইবন মালিক (রাঃ) সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ ‘’আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ের দু’আ কখনও প্রত্যাখ্যান হয় না’’ আবু দাউদ; সহীহ; (হাদীস নঃ ৫২১) আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফীক দান করুন-আমীন। আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম এবং তার গুরুত্ব ও ফজিলত আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম এবং তার গুরুত্ব ও ফজিলত আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম এবং তার গুরুত্ব ও ফজিলত আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম এবং তার গুরুত্ব ও ফজিলত

Read more

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You Missed

কত টাকা পাবে মুস্তাফিজ এবারের আইপিএল খেলে

  • By admin
  • May 1, 2024
  • 6 views

যাকাত বন্টনের নির্ধারিত ৮টি খাত

  • By admin
  • March 20, 2024
  • 7 views

ফারুকীর হাত ধরে নাটকে অশ্লীল ভাষা শুরু হয়েছে: আবদুল্লাহ রানা

  • By admin
  • September 15, 2023
  • 7 views
ফারুকীর হাত ধরে নাটকে অশ্লীল ভাষা শুরু হয়েছে: আবদুল্লাহ রানা

Shop Tab

  • By admin
  • September 8, 2023
  • 4 views
Shop Tab

Low back pain (LBP) 0704

  • By admin
  • September 6, 2023
  • 4 views
Low back pain (LBP) 0704

Brac bank career 2023 attractive salary

  • By admin
  • September 6, 2023
  • 4 views
Brac bank career 2023 attractive salary